Pages

Powered by Blogger.

Pages

Pages

Pages

facebook twitter instagram pinterest bloglovin Email
Career CLASS 11 (XI) Class XI 1st Semester CLASS XI 2nd Semester H.S. 3rd SEM H.S. 4th SEM H.S. EDUCATION H.S. HISTORY HS SOCIOLOGY HS SUGGESTION INDIAN HISTORY NCERT POLITY PROJECT Sociological Studies Teaching & Education TEST PAPERS SOLVE TEST PAPERS SOLVE 2020 WORLD HISTORY XI EDUCATION XI HISTORY XI POL SC XI SOCIOLOGY XII Bengali XII Sanskrit

Pages

Nandan Dutta

School project and education news.

Pages

H.S. Project 

Class 11 Bengali Project  

How a Client Was Saved ( Translation )  

Mohandas Karamchand Gandhi 




The reader, by now, will be quite familiar with Parsi Rustomji's name. He was one who became at once my client and co-worker, or perhaps it would be truer to say that he first became co-worker and then client. I won his confidence to such an extent that he sought and followed my advice also in private domestic matters. Even when he was ill, he would seek my aid, and though there was much difference between our ways of living, he did not hesitate to accept my quack treatment.

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

This friend once got into a very bad scrape. Though he kept me informed of most of his affairs, he had studiously kept back one thing. He was a large importer of goods from Bombay and Calcutta, and not infrequently he resorted to smuggling. But as he was on the best terms with the customs officials, no one was inclined to suspect him. In charging duty, they used to take his invoices on trust. Some might even have connived at the smuggling.

But to use the telling simile of the Gujarati poet, Akho, theft like quick-silver won't be suppressed, and Parsi Rustomji proved no exception. The good friend ran post-haste to me, the tears rolling down his cheeks as he said, 'Bhai, I have deceived you. My guilt has been discovered today. I have smuggled and I am doomed. I must go to jail and be ruined. You alone may be able to save me from this predicament. I have kept nothing else from you, but I thought I ought not to bother you with such tricks of the trade, and so I never told you about this smuggling. But now, how much I repent it!

I calmed him and said, “To save or not to save you is in His hands. As to me you know my way. I can but try to save you by means of confession.'

The good Parsi felt deeply mortified. 
‘But is not my confession before you enough?' he said.
You have wronged not me but the government. How will the confession made before me avail you?' I replied gently.
"Of course I will do just you advise, but will you not consult with my old counsel Mr-? He is a friend too,' said Parsi Rustomii.

Inquiry revealed that smuggling had been going on for a long time, but the actual offence detected involved a trifling sum . We sent to his counsel. He perused the papers, and said, “The case will be tried by a jury, and a Natal jury will be the last to acquit an Indian, But I will not give up hope.

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

I did not know this counsel intimately. Parsi Rustomji intercepted : 'I thank you, but I should like to be guided by Mr. Gandhi's advice in this case. He knows me intimately. Of course you will advise him whenever necessary.'
Having thus shelved the counsel's question, we went to Parsi Rustomji's shop.

And now explaining my view I said to him, 'I don't think this case should be taken to court at all. It rests with the Customes Officer to prosecute you or to let you go, and he in turn will have to be guided by the Attorney-General. I am prepared to meet both. I propose that you should offer to pay the penalty they fix, and the odds are that they will be aggreable. But if they are not, you must be prepared to go to jail. I am of opinion that the shame lies not so much in going to jail as in committing the offence. The deed of shame has already been done, Imprisonment you should regard as a penance. The real penance lies in resolving never to smuggle again.

I cannot say that Parsi Rustomji took all this quite well. He was a brave man, but his courage failed him for the moment.His name and fame were at stake, and where would he be if the edifice he had reared with such care and labour should go to pieces ? 

'Well I have told you,' he said, 'that I am entirely in your hands .You may do just as you like.'
I brought to bear on this case all my powers of persuasion. I met the Customs Officer and fearlessly apprised him of the whole affair. I also promised to place all the books at his disposal and told him how penitent-Parsi Rustomji was felling.

The Customs Officer said, 'I like the Old Parsi. I am sorry he has made a fool of himself. You know where my duty lies. I must be guided by the Attorney-General . And so I would advise you to use all your persuasion with him.'
I shall be thankful,” said I, if you do not insist on dragging him into court.' 
Having got him promise this, I entered into correspondence with the Attorney-General and also met him. I am glad to say that he appreciated my complete frankness and was convinced that I had kept back nothing. 

I now forget whether it was in connection with this or with some other case that my persistence and frankness extorted from him the remarks: 'I see you will never take a no for an answer.'
The case against Parsi Rustomji was settled by a compromise. He was to pay a penalty equal to twice the amount he had confessed to having smuggled . Rustomji reduced to writing the facts of the whole case, got the paper framed and hung it up in his office to serve as a perpetual reminder to his heirs and fellow merchants.
These friends of Rustomji warned me not to be taken in by this transitory contrition. When I told Rustomji about this warning he said: 'What would be my fate if I deceived you?

বঙ্গানুবাদ :- 


পার্সী রুস্তমজী – এই নামের সাথে পাঠকবর্গ এখন পরিচিত। তিনি শুধু একজন মক্কেলই ছিলেন না, আমার সহকর্মীও ছিলেন। মনে হয় এটা বলাই ঠিক যে তিনি প্রথমে আমার সহকর্মী ও পরে ছিলেন মক্কেল। আমি তার বিশ্বাস এত বেশী অর্জন করেছিলাম যে তিনি ব্যক্তিগত পারিবারিক ব্যাপারেও সাহায্য চাইতেন এবং তা অনুসরণ করতেন। এমনকি যখন তিনি অসুস্থ হতেন তখন তিনি আমার সাহায্য চাইতেন এবং যদিও আমাদের জীবন যাত্রার মধ্যে প্রচুর পার্থক্য ছিল, তবুও তিনি আমার হাতুড়ে চিকিৎসা গ্রহণ করতে দ্বিধা করতেন না।

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

একবার আমার এই বন্ধুটি খুব খারাপ ঝামেলায় পরলেন। যদিও তিনি তাঁর সব ব্যাপারই প্রায় আমাকে জানাতেন, তবুও একটি বিষয় তিনি ইচ্ছে করে আমার কাছে গােপন করেছিলেন। তিনি কোলকাতা ও বােম্বাই (বর্তমানে মুম্বাই) থেকে পণ্যদ্রব্যের বড় আমদানিকারক ছিলেন এবং হামেশাই শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে আমদানি-রপ্তানি করতেন। কিন্তু শুল্ক বিভাগের অফিসারদের সাথে যেহেতু তার খুব বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল, সেজন্য কেউ তাকে সন্দেহ করত না। আমদানি করা পণ্যদ্রব্যের উপর শুল্ক আদায় করার সময় তারা চালানগুলি বিনা প্রমাণে গ্রহণ করত। কেউ কেউ হয়ত তার চোরাকারবারের প্রতি চোখ বন্ধ করে থাকত।

কিন্তু গুজরাটী কবির আখাে-র সুন্দর উপমা ব্যবহার করে বলা যায়, পারদের মতাে জিনিস চুরি করে গােপন রাখা যায় না এবং পার্সী রুস্তমজী এর ব্যতিক্রম প্রমাণিত হলেন না। আমার বন্ধুটি ছুটে আমার কাছে এলেন, তার চিবুক বেয়ে চোখের জল গড়িয়ে পড়ছিলাে। তিনি আমাকে বললেন, “ভাই, আপনার সাথে আমি প্রতারণা করেছি। আজ আমার অপরাধ ধরা পড়েছে। আমি চোরাই চালান করেছি এবং আমার সর্বনাশ নিশ্চিত। আমাকে জেলে যেতেই হবে এবং আমি অধঃপতিত হয়েছি। আপনিই একমাত্র আমাকে এই কষ্টকর সম্মানহানির হাত থেকে বাঁচাতে পারেন। অন্য কোন কিছু আপনার কাছে আমি গােপন করিনি এবং ভেবেছিলাম ব্যবসার চাতুরীর ব্যাপারে আপনাকে বিরক্ত করা আমার উচিত নয় এবং সেই জন্য এই চোরা-কারবারের ব্যাপারে আপনাকে কখনও কিছু বলিনি। কিন্তু এখন আমার অনুশােচনার শেষ নাই ” ।
আমি তাকে শান্ত করে বললাম, ‘রক্ষা করা বা রক্ষা না করাটা হচ্ছে তাঁর (ভগবানের) হাতে। আপনি আমার আচরণ পদ্ধতি সম্বন্ধে জানেন। একমাত্র আপরাধ স্বীকারের মাধ্যমে আমি আপনাকে রক্ষা করার চেষ্টা করতে পারি।” 
বন্ধু পার্সী মনে আঘাত পেলেন। তিনি বললেন, “কিন্তু আপনার কাছে আমার স্বীকারােক্তি কি যথেষ্ট নয়?”আমি শান্তভাবে বললাম, “আপনি সরকারের ক্ষতি করেছেন, আমার নয়। আমার কাছে দোষ স্বীকার করে আপনার কি হবে?”
“আপনি যা বলবেন আমি নিশ্চয়ই তাই করবাে, কিন্তু আপনি কি আমার পুরনাে উকিলের সাথে পরামর্শ করবেন না? তিনিও আমার বন্ধু, '' পার্সী রুস্তমজী বললেন। 
অনুসন্ধানের ফলে প্রকাশ পেল যে চোরাই চালান বহুদিন ধরে চলছে, কিন্তু যে অপরাধটি ধরা পরেছে তার সঙ্গে জড়িত অর্থের পরিমাণ খুবই সামান্য। আমরা উকিলের কাছে গেলাম। তিনি কাগজপত্র পড়লেন এবং বললেন, “এই মামলার বিচার করবেন একজন জুরি এবং নাটাল প্রদেশের জুরি একজন ভারতীয়কে কখনােই বেকসুর খালাস দেবেন না; যদিও আমি আশা ছাড়ছি না।”
আমি এই উকিলকে ঘনিষ্ঠভাবে জানতাম না। কিন্তু পার্সী রুস্তমজী মাঝপথে বাধা দিয়ে বললেন, “আপনাকে ধন্যবাদ, কিন্তু এই মামলায় আমি গান্ধীর নির্দেশ মত চলতে চাই। তিনি আমাকে ভালভাবে জানেন। অবশ্য তার প্রয়ােজনে আপনি তাকে উপদেশ দিতে পারেন। '' এভাবে উকিলের পরামর্শকে এড়িয়ে আমরা পার্সী রুস্তমজীর দোকানে গেলাম।

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

এবার আমি আমার মতামত জানিয়ে তাকে বললাম, “আমি মনে করিনা বিষয়টি আদালতে যাক। আপনাকে অভিযুক্ত করা বা ছেড়ে দেওয়া শুল্ক বিভাগের অফিসারের ওপর নির্ভর করছে এবং তাকে এটর্নি জেনারেলের দ্বারা চালিত হতে হবে। আমি দুজনের
সঙ্গেই দেখা করতে রাজি আছি। আমার প্রস্তাব হচ্ছে তারা যে জরিমানা ধার্য করবেন তা আপনার দিয়ে দেওয়া উচিত এবং সম্ভবত: তারা সম্মত হয়ে যাবেন। যদি তারা সম্মত না হন তাহলে আপনাকে জেলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতেই হবে। আমার মতে জেলে যাওয়ার চেয়ে অপরাধ করাটা বেশী লজ্জার, আর লজ্জার কাজটা আগেই করা হয়ে গিয়েছে। কারাবাসকে আপনার প্রায়শ্চিত্ত হিসাবে বিবেচনা করতে হবে। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বেআইনিভাবে পণ্যদ্রব্য আমদানি না করার সংকল্পের মধ্যেই প্রকৃত প্রায়শ্চিত্ত নিহিত।''

আমি বলতে পারিনা যে আমার পরামর্শ পার্সী রুস্তমজী ভালভাবে নিয়েছিলেন। তিনি সাহসী লােক ছিলেন, কিন্তু মুহূর্তের জন্য তিনি সাহস হারিয়ে ফেললেন। তার নাম-যশ বিপন্ন। এত যত্ন করে, এত পরিশ্রম করে তিনি ব্যবসার যে ইমারত তৈরী করেছেন তা নষ্ট হয়ে গেলে তিনি কোথায় দাঁড়াবেন। 

তিনি বললেন, “আমি তাে আপনাকে বলেছি যে আমি আমাকে সম্পূর্ণভাবে আপনার হাতে ছেড়ে দিয়েছি। আপনি যা পছন্দ করবেন তাই করুন। '' এবারে আমি আমার সমস্ত ক্ষমতা কার্যকরী করার জন্য কাজ শুরু করলাম। আমি শুল্ক বিভাগের অফিসারের সাথে দেখা করলাম এবং তাকে সমস্ত বিষয়টি নির্ভয়ে জানালাম। তাঁর  কাছে হিসাবের সব খাতা পেশ করব বলে কথা দিলাম এবং তার সাথে রুস্তমজী কীরকম অনুশােচনায় ভুগছেন তাও বললাম।

শুল্ক অফিসারটি বললেন, “আমি পার্সীকে পছন্দ করি কিন্তু তিনি যে নির্বোধের মত কাজ করেছেন তার জন্য আমি দুঃখিত। আপনি জানেন আমার অসুবিধা কোথায়। আমাকে এটর্নি জেনারেলের নির্দেশ অনুযায়ী চলতে হবে। তাই আপনি যুক্তি পরামর্শ দিয়ে এটর্নি জেনারেলকে রাজি করান।” 
আমি বললাম, “আপনি যদি তাকে আদালতে টেনে আনার জন্য জেদ না করেন তাহলে আমি কৃতজ্ঞ হব।”
তাঁকে দিয়ে এটা রাজি করিয়ে নিয়ে আমি এটর্নি জেনারেলের সাথে চিঠির আদানপ্রদান শুরু করলাম এবং তার সাথে দেখাও করলাম। আমার আনন্দ হচ্ছে জানাতে যে তিনি আমার স্পষ্টবাদিতার প্রশংসা করলেন এবং তিনি নিশ্চিত হলেন যে আমি কোন কিছুই গােপন করিনি।
আমি এখন ভুলে গিয়েছি এই মামলা না অন্য কোন মামলার প্রসঙ্গে আমার স্থির কর্মপদ্ধতি এবং স্পষ্টবাদিতার জন্য তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “আমি দেখছি আপনি কখনও 'না’ জবাব শুনবেন না।”

রুস্তমজীর বিরুদ্ধে মামলাটি আপসে মেটানাে হল। তিনি যত অর্থমূল্যের জিনিস চোরাইচালান করেছিলেন তার দ্বিগুণ জরিমানা দিলেন। রুস্তমজী সমস্ত মামলার বিবরণ একটি কাগজে লিখলেন এবং ফ্রেমে বাঁধিয়ে তার অফিসে টাঙিয়ে দিলেন যাতে উত্তরাধিকারীগণ এবং সঙ্গী ব্যবসায়ীরা এরূপ বিষয়ে সচেতন থেকে ভবিষ্যতে কাজ করেন।

রুস্তমজীর বন্ধুরা আমাকে সাবধান করে দিয়েছিলেন যে আমি যেন তার এই সাময়িক অনুশােচনার দ্বারা প্রতারিত না হই। যখন আমি রুস্তমজীকে একথা জানালাম তখন তিনি বলেছিলেন, “যদি আমি আপনাকে প্রতারিত করতাম তাহলে আজ আমার পরিণতি কী হতাে?”

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।


Share
Tweet
Pin
Share
No comments

H.S. English Project .

H.S. English Project : Indianization of a short story : Selfish Giant 

Indianization of Selfish Giant :- ( Original text Oscar Wilde ) 




There was a small city and at the western end of the city , there was a beautiful garden full with trees , flowers and fruits. All the young boys and girls loved the garden. Every afternoon, as they were coming from school, the children used to go and play cricket in the garden. It was a large lovely garden, with soft green grass. Here and there, over the grass stood beautiful flowers like stars and there were twelve mango trees that in the Springtime broke out into sweet blossoms that attracted thousands of bees and in the Summer bore juicy fruits that attracted birds in daylight and bats at night. The birds sat on the trees and sang so sweetly that the children used to stop their games in order to listen to them. “How happy we are here!" they cried to each other.

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

But there was an another character called Kalia . He did not like the matter that children used to play in his garden . One day, Kalia came back. He had been to visit his friend Kallu Sardar and had stayed with him for more than one month . After the one month was over, he had said all that he had to say, for his conversation was limited and he was determined to return to his own garden. When he arrived, he saw the children playing in the garden.

“What are you doing here?" he cried in a very gruff voice and the children ran away. "My own garden is my own garden," said the Giant, "anyone can understand that and I will allow nobody to play in it but myself.” So, he built a high wall all round it and put up a notice-board.

TRESPASSERS
will be PROSECUTED

He was a very selfish man. Children used to called him 'Giant ' .
The poor children had now nowhere to play. They tried to play on the road, but the road was very dusty and full of hard stones, they could neither bowl nor bat on it and they did not like it. They used to wander round the high walls when their lessons were over and talk about the beautiful garden inside. "How happy we were there!" they said to each other.

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

Then the Spring came and all over the country there were little blossoms and little birds. Only in the garden of Kalia , scorching Summer entered. The birds did not care to sing in it as there were no children and the trees forgot to blossom. Once a beautiful flower put its head out from the grass, but when it saw the noticeboard it was so sorry for the children that it slipped back into the ground again and went off to sleep. The only people who were pleased were the scorching heat and the violent dust storm. “Spring has forgotten this garden," they cried, “so we will live here all the year round." The searing heat almost burned the trees and the dust storm covered up the grass with grey and dreary cloak. Then they invited the 'Kaalboisakhi' to stay with them and he came. He came like a
great black giant and he roared all day about the garden and littered the garden with leaves and broken branches. "This is a delightful spot," he said, "we must ask the Hail on a visit." So the Hail came. Every day for three hours he rattled on the roof of the Kalia's cottage till he broke most of the slates and then he ran round and round the garden as fast as he could go.

"I cannot understand why the Spring has not come." said Kalia, as he sat at the window and looked out at his dirty, bare garden; "I hope there will be a change in the weather." 

But the Spring never came, nor the Autumn or the Winter. The Summer gave colourful fruits to every garden but to the Kalia's garden, she gave none. "He is too selfish," she said. So, it was always barren there and the 'Kaalboisakhi' and the Hail and the scorching summer and the dust storm danced about through the trees.

One morning, Kalia was lying awake in bed when he heard some lovely music. It sounded so sweet to his ears that he thought it must be the wonderful musicians passing by. It was really only a little Doyel singing outside his window, but it was so long since he had heard a bird sing in his garden that it seemed to him to be the most beautiful music in the world. Then, the Hail stopped dancing over his head and 'Kaalboisakhi' ceased roaring and a delicious perfume came to him through the open window. “I believe the Spring has come at last," said Kalia; and he jumped out of bed and looked out. What did he see?

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

He saw a most wonderful sight. Through a little hole in the wall, the children had crept in and they were sitting in the branches of the trees. In every tree that he could see, there was a little child. And the
the trees were so glad to have the children back again that they had covered themselves with blossoms and were waving their arms gently above the children's heads. The birds were flying about and twittering with delight and the flowers were looking up through the green grass and laughing. It was a lovely scene, only in one corner it was still Summer. It was the farthest corner of the garden and in it was standing a little boy. He was so small that he could not reach up to the branches of the tree and he was wandering all round it, crying bitterly. The poor tree was still leafless and 'Kaalboisakhi' was blowing and roaring above it. "Climb up! little boy," said the Tree, and it bent its branches down as low as it could; but the boy was too tiny.

Then Kalia's heart melted as he looked out. "How selfish I have been!” he said, “now I know why the Spring would not come here. I will put the poor little boy on the top of the tree and then I will knock down the wall and my garden shall be the children's playground for ever and ever." He was really very sorry for what he had done.
So he crept downstairs and opened the front door quite softly and went out into the garden. But when the children saw him, they were so frightened that they all ran away and the garden became fiery Summer again. Only the little boy did not run, for his eyes were so full of tears that he did not see that Kalia was coming. And Kalia stole up behind him and took him gently in his hand and put him up into the tree. And the tree broke at once into blossom and the birds came and sang on it and the little boy stretched out his two arms and flung them round the Giant's neck and kissed him. And the other children, when they saw that Kalia was not wicked any longer, came running back and with them, came the Spring. "It is your garden now, little children," said the Giant and he took a great hammer and knocked down the wall. And when the people were going to market at twelve o'clock, they found Kalia playing cricket with the children in the most beautiful garden they had ever seen.

All day long they played and in the evening, they came to Kalia to bid him goodbye. "But where is your little companion," he said, "the boy I put into the tree?" Kalia loved him the most because he had kissed him.

“We don't know," answered the children, "he has gone away."
“You must tell him to be sure to come tomorrow," said Kalia. But the children said that they did not know where he lived and had never seen him before; and Kalia felt very sad.

Every afternoon, when school was over, the children came and played with Kalia. But the little boy whom he loved was never seen again. Kalia was very kind to all the children, yet he longed for his first little friend and often spoke of him. "How I would like to see him!” he would say.

Years went over and Kalia grew very old and feeble. He could not play about any more, so he sat in a huge arm-chair and watched the children at their games and admired his garden. "I have many beautiful flowers," he said; "but the children are the most beautiful flowers of all."

One Summer morning, he looked out of his window as he was preparing hand fans with palm leaves. He did not hate the Summer now, for he knew that the monsoon would come soon and the trees would make the world dark green. Suddenly, he rubbed his eyes in wonder and looked and looked. It certainly was a marvelous sight. In the farthest corner of the garden, was a tree quite covered with lovely white blossoms. Its branches were golden and silver fruit hung down from them and underneath it stood the little boy he had loved.
Kalia ran downstairs in great joy and out into the garden. He hastened across the grass and came near to the child. And when he came quite close his face grew red with anger and he said, "Who has dared to wound thee?" For on the palms of the child's hands were the prints of two nails and the prints of two nails were on the little feet.
"Who has dared to wound thee?" cried Kalia ; "tell me, that I may take my big sword and slay him."
“Nay!” answered the child: "but these are the Wounds of Love."
“Who are you?" said Kalia and a strange awe fell on him and he knelt before the little child. And the child smiled at Kalia and said to him, "You let me play once in your garden, today you shall come with me to my garden, which is Paradise."
And when the children ran in that afternoon, they found Kalia lying dead under the tree, all covered with white blossoms.

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

Share
Tweet
Pin
Share
No comments

H.S. Sociology project : The role of mass media in society .




উচ্চমাধ্যমিক প্রকল্প : সমাজ জীবনে গণমাধ্যমের ভূমিকা। 


সূচনা / ভূমিকা :- 
 
আক্ষরিক অর্থে গণমাধ্যম হল জনগণের সাথে যােগাযােগের মাধ্যম। ভারতে সাধারণভাবে গণমাধ্যম যথেষ্ট শক্তিশালী। সংবাদপত্রের পাশাপাশি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মাধ্যমগুলির গুরুত্বও কম নয়। গণমাধ্যম বলতে একত্রে পত্র-পত্রিকা, রেডিও, টিভি, চলচ্চিত্র, ডিসপ্লেবাের্ড প্রভৃতি সবকিছুকেই একত্রিত করে বােঝায়। বর্তমান দিনে এগুলির চাহিদা ও প্রয়ােজনীয়তা যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। তার সাথে সাথে এগুলির প্রাসঙ্গিক ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বলা হয় যে গণতন্ত্রের বাস্তবায়নে গণমাধ্যম হল চতুর্থ স্তম্ভ। যাইহােক, গণমাধ্যম বিষয়টিকে আমরা সংজ্ঞায়িত করতে পারি এই রূপে যে, যার মাধ্যমে জনগােষ্ঠীর বৃহৎ অংশের কাছে অতি অল্প সময়ে যােগাযােগ করা যায় অর্থাৎ পৌছানাে যায়। এই একবিংশ শতাব্দীতে গণমাধ্যমের রূপ শুধুমাত্র সেই পত্রিকা বা সাপ্তাহিকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। রেডিও-টেলিভিশন বেশ কিছুদিন আগেই এই সারিতে জায়গা নিয়েছে। আধুনিক সময়ে তাদের সাথে সংযুক্ত হয়েছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত অন লাইন মিডিয়া, ব্লগ, সােশাল নেটওয়ার্কিং  সাইটগুলি। মােবাইল ফোনও তার বিস্তার ঘটিয়েছে।

বর্তমান প্রকল্পটিতে গণমাধ্যমের ধারণা , সমাজজীবনে তার ইতিবাচক ও নেতিবাচক ভূমিকা - ইত্যাদি বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

প্রকল্পটির উদ্দেশ্য :- 

যে সকল উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রকল্পটি রূপায়িত করা হয়েছে , সেগুলি হল - 
১. গণমাধ্যম সম্পর্কে সাধারণ ধারণা অর্জন। 
২. বিভিন্ন গণমাধ্যমগুলির পরিচয় জানা। 
৩. আধুনিককালে গণমাধ্যমের যে প্রকৃতিগত পরিবর্তন হয়েছে - সে সম্পর্কে জানা। 
৪. সমাজজীবনে গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে আলোচনা করা। 
৫. গণমাধ্যমের ইতিবাচক দিকগুলি তুলে ধরা। 
৬. সমাজজীবনে গণমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাবগুলি সম্পর্কে আলোচনা করা। 
৭. সর্বোপরি , গণমাধ্যম এবং সমাজ জীবনে তার ভূমিকা বিষয়টিতে শিক্ষার্থীদের কৌতূহলী করে তোলা। 

প্রকল্পটির গুরুত্ব :- 

যে সকল কারণে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে সেগুলি হল - 
১. প্রকল্পটির মাধ্যমে গণমাধ্যম সম্পর্কে সাধারণ ধারণা অর্জন সম্ভব। 
২. গণমাধ্যমের বিভিন্ন উপাদানগুলির সম্পর্কে জানতে প্রকল্পটি কার্যকর। 
৩. সমাজজীবনে গণমাধ্যমের প্রভাব , তার ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলি সম্পর্কে জানতে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। 
৪. আধুনিককালে গণমাধ্যমের প্রকৃতিগত পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে প্রকল্পটি কার্যকর। 
৫. সর্বোপরি , প্রকল্পটির মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের কৌতূহলী করে তোলা যেতে পারে। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

পরীক্ষামূলক উপাদান / তথ্য সংগ্রহ :- 

প্রতিটি মানুষের জীবনধারণের জন্য যেমন খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান প্রয়ােজন, তেমনি বর্তমানে যােগাযােগও একটি অতি প্রয়ােজনীয় উপকরণ তার কাছে। একুশ শতকের মানুষ চায় তার কাছে সর্বশেষ তথ্যটি থাকুক। এই চাহিদা পূরণ করে গণমাধ্যম। শুধুমাত্র সর্বশেষ তথ্য প্রদানের মধ্যেই গণমাধ্যমের ভূমিকা আজ সীমাবদ্ধ নেই। দৈনন্দিন কর্ম পরিচালনায়, একঘেয়েমি কাটানােয়, বিনােদনে, অন্যান্য আর্থ-সামাজিক প্রয়ােজনে গণমাধ্যম আজ হয়ে উঠেছে অপরিহার্য।
গণতান্ত্রিক দেশে মানুষ স্বাধীনভাবে চিন্তা করে, স্বাধীনভাবে বলে, লেখে, অন্যের সাথে আলােচনা করে, বিশ্লেষণ করে, সমালােচনা করে, এবং স্বাধীনভাবে বিরােধিতা করে। গণমাধ্যম মানুষের এই স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করতে ভূমিকা গ্রহণ করে। গণমাধ্যম সরকারের ঘােষিত বিভিন্ন পরিকল্পনা কর্মসূচির বিষয়ে জনগণকে সচেতন রাখে , কোনাে বিষয়ের উপর জনমত সৃষ্টি করে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে সেই সংগঠিত জনমত সরকারের কাছে পৌছে দেয়। এভাবে গণমাধ্যম সরকার ও জনগণের যােগসূত্রের কাজ করে। এছাড়াও গণমাধ্যম সরকারের স্বৈরাচারিতা আটকায়। সরকারের নীতিভ্রষ্টতা, মানুষ যেন বৈষম্যের শিকার না হয়—এ সমস্ত দিকে নজর রাখে। 
আধুনিককালে গণমাধ্যমের জনপ্রিয় উপাদানগুলি হল - সংবাদপত্র , টেলিভিশন , ইন্টারনেট , ওয়েবসাইট , ব্লগ , সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট - ইত্যাদি। প্রতিটি উপাদান মানুষকে তথ্যে সমৃদ্ধ করে শিক্ষামূলক ভূমিকা পালন করে। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

প্রকল্পের বর্ণনা : তথ্য বিশ্লেষণ :- 

সংগৃহীত তথ্যগুলিকে নীচে বিশ্লেষণ আকারে উপস্থাপন করা হল। 

গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকা (Positive role of Mass Media) : - 


(১) গণতন্ত্রের সংরক্ষণ ও বিকাশ :- বর্তমান সমাজে গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম আমাদের জীবনে দুটি অতি প্রয়ােজনীয় দিক। সত্যিকারের গণতন্ত্র মানুষের অধিকার সংরক্ষণ করে, মানুষকে ক্ষমতা দেয়। আর গণমাধ্যম তা নিশ্চিত করে যােগাযােগ আর স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযােগ সৃষ্টির মাধ্যমে। 

(২) সামাজিকীকরণ ভূমিকা : শিক্ষিত সমাজে সামাজিকীকরণের অন্যতম মাধ্যম হল গণমাধ্যম। সংবাদপত্র বা টিভি, রেডিওতে প্রকাশিত কোনাে খবর বা অনুষ্ঠান ব্যক্তির চিন্তাচেতনাকে প্রভাবিত করে ও তাকে সুগঠিত করে।

(৩) সামাজিক নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা : গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন অসামাজিক ঘটনার শাস্তির দিক, নতুন নতুন আইন , সরকার কর্তৃক বিভিন্ন নির্দেশাবলি প্রভৃতি জানতে পেরে আমরা আমাদের ইতিকর্তব্য স্থির করি। এজাতীয় অনুষ্ঠানগুলি বা সংবাদ আমাদের মানসিকতা বা আচার-আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করার সাধ্যমতাে চেষ্টা করে থাকে। 

(8) শিক্ষামূলক ভূমিকা :গণমাধ্যমের মধ্য দিয়ে বাস্তবসম্মত ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বিষয়গুলি উপস্থাপিত হয়। এতে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়। চিন্তন প্রক্রিয়ার সক্রিয়তা বাড়ে। গণমাধ্যমের হাত ধরেই জনশিক্ষার বিস্তার, ভাষাজ্ঞান বৃদ্ধি এবং অবসর যাপনের শিক্ষণ বিষয়টি পরিপূর্ণতা পায়। এছাড়াও গণমাধ্যমের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা যুগপােযােগী তথ্যসমৃদ্ধ জ্ঞান লাভের সুযােগ পায়। 

(৫) আধুনিকীকরণ : আধুনিকীকরণের বিভিন্ন উপাদানগুলি গণমাধ্যমের দ্বারাই অতি সহজে মানুষের কাছ পর্যন্ত পােছে যায়। নিত্যনতুন ভােগ্যদ্রব্যের বিজ্ঞাপন, সেগলির চিত্তাকর্ষক উপস্থাপন, আমাদের মস্তিষ্ককে নাড়া দেয় এবং সেগুলির পিয়াসী হয়ে পড়ি। বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের কুসংস্কার দূর করতে সাহায্য করে। এভাবে গণমাধ্যম তার সংস্কারমূলক ভূমিকা পালন করে, আমাদের আধুনিক করে।

(৬) এছাড়াও গণমাধ্যম আমাদের বিজ্ঞান মনস্কতা বৃদ্ধি করে, নান্দনিকতা বিকাশ ঘটায়, পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে আমাদের সংযােগ গড়ে দেয়, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ঘটায়, আমাদের পরিতৃপ্তি প্রদান করে , সমাজে নীতিনৈতিকতা ন্যায্যতা নিশ্চিত করা - ইত্যাদি অনেক বড়াে দায়িত্ব পালন করে গণমাধ্যম।

গণমাধ্যমের নেতিবাচক ভূমিকা (Negative Role of Mass Media) : - 


গণমাধ্যমের সাফল্য নির্ভর করে গণমাধ্যম পরিচালক ও সংবাদ কর্মীদের উপর। এর থেকে কোনােরূপ বিচ্যুতি গণমাধ্যমের নেতিবাচক দিকগুলিকে প্রকট করে। যেমন - 
(১) গণমাধ্যমগুলির নিরপেক্ষতা এখন প্রশ্নচিহ্নের সামনে। একটা সময় ছিল যখন গণমাধ্যম সমূহের অল্পসংখ্যার জন্য তারা যাই সংবাদ পরিবেশন করত তাকে যাচাই করার কোনাে সুযােগ থাকত না। মানুষ সেটাকেই অভ্রান্ত বলে ধরে নিত। বর্তমানে সংবাদপত্রের এবং বিভিন্ন নিউজ চ্যানেলের সংখ্যা বেড়েছে।একই সংবাদ বিভিন্ন মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণে বিশ্লেষিত হয়ে উপস্থাপিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষও বুঝতে পারছে কোন্ মাধ্যমটি কোন্ রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপােষকতা করছে। অনেক সময় মানুষ তাই সংবাদ পড়া বা দেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। 

(২) আর একটি সংশয়ের জায়গা হল অর্থের কাছে গণমাধ্যমের সমর্পণ। বিজ্ঞাপন দাতারা অনেক ক্ষেত্রেই গণমাধ্যমকে তাদের নির্দিষ্ট পথে চালিত করতে বাধ্য করছে। এই বিপজ্জনক প্রবণতা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে স্বস্তির বিষয় নয়। 

(৩) কোনাে সংবাদ বা বিষয়কে ঘিরে গণমাধ্যমগুলির মধ্যে প্রতিযােগিতা এমন বাড়াবাড়ি ও সাজানাে বিষয়ের দিকে চলে যায় যা সাধারণ পাঠক, শ্রোতা বা দর্শকের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। 

(৪) বর্তমানে গণমাধ্যমের শিক্ষামূলক ভূমিকাও অনেকখানি স্তিমিত হয়ে এসেছে। জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি, ব্যাবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি, গণমাধ্যমগুলির অনুষ্ঠানকে এমনই অন্তঃসারশূন্য করে তুলেছে যার থেকে শিক্ষা গ্রহণ বিষয়টি নেই বললেই চলে। 

(৫) গণমাধ্যম হিসাবে দুরদর্শনের বিজ্ঞাপন এত অতিরঞ্জিত হয় সেগুলি অবাস্তব প্রতিপন্ন হয়। এছাড়াও বহু বিজ্ঞাপন অশ্লীলতা দোষে দুষ্ট। দূরদর্শনের বেশকিছু অনুষ্ঠান, বিশেষ করে বিতর্কসভাগুলি সাজানাে মনে হয়। সেগুলি অনিয়ন্ত্রিত ও বহুক্ষেত্রে অসত্য তথ্য প্রকাশ করে থাকে। দূরদর্শনের প্রভাবে ব্যক্তির নিজস্ব স্বাভাবিক বিচারবুদ্ধি অল্প সময়ের জন্য হলেও স্তন্ধ হয়ে যায়।

(৬) বর্তমান দিনে গণমাধ্যমগুলিকে সস্তা বিনােদনের উপাদান হিসাবে দেখা হয়ে থাকে। এগুলির শিক্ষা ও সংস্কারমূলক ভূমিকা ক্রমে সংকুচিত হয়ে আসছে। হাতে গােনা কিছু বিষয় বাদ দিয়ে বেশির ভাগ অনুষ্ঠান সময় কাটানাের উপাদান হিসাবে বিবেচিত হয়।

(৭) গণমাধ্যমগুলির বিরুদ্ধে এই অভিযােগ আনা হয় যে তারা একই বিষয়কে বারবার পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মানুষের চিন্তাশক্তিকে তাদের সেট করা পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ যেন মস্তিষ্কে উপনিবেশ গড়ার মতাে বিষয়।

(৮) গণমাধ্যমগুলি মূলত একমুখী মতামত প্রকাশ করে। কিছু অনুষ্ঠান দ্বিমুখী হলেও সেগুলি হয় Edit করা হয়, অথবা অপছন্দের হলে প্রচার করা হয় না। তাই বেশিরভাগ সময়ই প্রচারিত বিষয়ের উপর ভাব বা মতামত যুক্তি  বিনিময় সম্ভব হয় না।

(৯) গণমাধ্যমগুলি মানুষের প্রতি ন্যায় বিচার, মানবিক মুখ প্রদর্শন—এই সকল ভূমিকা কতটা পালন করে তা নিয়ে সন্দেহ আছে। এই সময়ে এমন ঘটনার কথাও শােনা যায়, আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে গায়ে আগুন লাগানাে কাউকে বাঁচানাের পরিবর্তে, গণমাধ্যমকর্মী ক্যামেরায় সেই ফুটেজ তোলাতে বেশি আগ্রহী হয়ে পড়ে। সন্তানহারা মায়ের সামনেই ছেলের কফিনের উপর দাঁড়িয়ে মায়ের কান্নার বাইট নিতেও দেখা গেছে অনেককে। 

(১০) বর্তমানের গণমাধ্যম গণতন্ত্র রক্ষা কিংবা আধুনিকতা তৈরিতে কতটা দায়িত্বশীল সে প্রশ্নও রয়েছে। রাজনৈতিক সংবাদ মানেই কোনাে রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপােষকতা করা, আর আধুনিকতার স্থলে উত্তর আধুনিকতাকে প্রশ্রয় দেওয়া—এই ভূমিকাই বেশি চোখে পড়ে। 

উপসংহার :- 

পরিশেষে বলা যায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিমাত্রেরই পছন্দের বিষয়। তা যদি পক্ষপাতদুষ্ট, বিরক্তিকর হয়ে ওঠে, যদিব্যাপক জনমানুষের কল্যাণের বিষয়টি তার মধ্যে প্রকট না হয়, সাংবাদিক যদি তার পেশাদারিত্বের জন্য নীতিবােধ থেকে সরে আসে, সে মাধ্যম জনমানসে বেশিদিন স্থায়ী হয় না বা জনগণ তাকে ক্ষমা করে না।

গ্রন্থপঞ্জি :- 

যেসকল গ্রন্থগুলি প্রকল্পটি রূপায়ণ করতে সহায়তা করেছে সেগুলি হল - 
১. উচ্চমাধ্যমিক সমাজতত্ত্ব - অরুনাংশু প্রধান। 
২. ভারতীয় সমাজ - অনাদিকুমার মহাপাত্র। 
৩. ভারতের সামাজিক সমস্যা - বাণী প্রকাশন। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।


Share
Tweet
Pin
Share
No comments

H.S. Bengali Project 

পোস্টমাস্টার গল্পের নাট্যরূপ :- 




প্রথম দৃশ্য : - 

মঞ্চ - পরিকল্পনা :- একটি সাধারণ মঞ্চ। মৃদু , কম্পমান বাতির আলো। ঘরে একটি চারপেয়ে। মঞ্চের একপাশে রান্নার জন্য কিছু বাসন ও একটি উনুন। 
দৃশ্যের শুরুতে দেখা যায় পোস্টমাস্টার মঞ্চের খাটিয়াতে বসে আছেন , অস্থির বোধ করছেন। কিছুটা বিরক্ত। 
 
পোস্টমাস্টার : আমার অবস্থা কেমন জানেন তো ! জলের মাছকে ডাঙায় তুললে যেমন হয় , এই গন্ডগ্রামের মধ্যে এসে আমার অবস্থাও ঠিক সেইরকম। ………. গ্রামটি অতি সামান্য , উলারপুর গ্রাম। চাকরিটা পেয়ে পোস্টমাস্টার হিসাবে আমাকে প্রথমেই এই গ্রামে আসতে হয়। কাজ যদিও বিশেষ কিছু নেই , কবিতা - টবিতা লেখার সময়ও পাই ; কিন্তু কেন জানি না গ্রামটার সাথে আমি ঠিক মানিয়ে নিতে পারছি না। আসলে ঝাঁ চকচকে কলকাতা শহরে থেকে অভ্যস্থ আমার মতো একজনের পক্ষে হঠাৎ করে এইরকম একটা গন্ডগ্রামে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। 
 
[ খাটিয়া থেকে উঠে পাশে রাখা কলসি থেকে জল ঢেলে একটু পান করলো। ] 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

খুব ভালো হত , যদি আরব্য উপন্যাসের কোনো দৈত্য এসে এক রাতের মধ্যে এই শাখাপল্লব সমেত সমস্ত গাছগুলো কেটে পাকা রাস্তা বানিয়ে দেয় এবং সারি সারি অট্টালিকা চারপাশে গড়ে ওঠে তাহলে আমার মত আধমরা এই ভদ্রসন্তানটি পুনচ্চঃ নবজীবন লাভ করতে পারে। 
 
তাও ভালো , একটি কাজের মেয়ে পাওয়া গেছে। রতন। বয়স বারো তেরো। পিতৃমাতৃহীন অনাথা বালিকা। এই বালিকা আমার কাজকর্ম করে দেয় , বদলে চারটি খেতে পায়। ওর বিবাহের বিশেষ সম্ভাবনা তো দেখতে পাচ্ছি না।     
রতন  …………. এই রতন  ……...একবার এদিকে আয় তো  ………
 
[ রতন মঞ্চে প্রবেশ করলো। ] 
 
রতন : কী গো বাবু , কেন ডাকছো ? 
 
পোস্টমাস্টার : তুই কী করছিস ? 
 
রতন : এই তো এখনই হেঁসেলের চুলো ধরাতে হবে। 
 
পোস্টমাস্টার : তোর হেঁসেলের কাজ পরে হবে এখন  ……. একবার তামাকটা সেজে দে তো। 
 
[ রতন প্রস্থান করলো এবং অনতিবলম্বে দুটি গাল ফুলিয়ে কলকে তে ফুঁ দিতে দিতে রতন পুনরায় মঞ্চে প্রবেশ করলো। রতনের হাত থেকে কলকেটি পোস্টমাস্টার নিজের হস্তগত করলো। ] 
 
পোস্টমাস্টার : আচ্ছা রতন , তোর মাকে মনে পড়ে ? 
 
রতন : সে অনেক কথা। কতক মনে পড়ে , কতক মনে পড়ে না। মায়ের চেয়ে বাপ আমায় বেশি ভালোবাসতো। বাপকে অল্প অল্প মনে আছে। সারাদিন পরিশ্রম করে বাপ সন্ধ্যাবেলা ঘরে ফিরে আসতো। [ কথাগুলো বলতে বলতে রতন পোস্ট মাস্টারের পায়ের কাছে গিয়ে বসে পড়ে। ] আর আমার এক ছোট ভাই ছিল। আমরা দুইজনে মিলে বর্ষার দিনে ডোবার ধারে ভাঙা ডালকে ছিপ করে মিছিমিছি মাছ ধরা খেলা খেলতাম। এই কথাগুলো কিছু কিছু মনে পড়ে। 
 
[ কিছুক্ষণ দুজনেই চুপ। ] 
 
পোস্টমাস্টার : বাদ দে রতন আজকে আর রান্না করতে হবে না। সকালের বাসি খাবার তো আছেই। কয়েকটা রুটি সেঁকে দে তাহলেই হবে। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

দ্বিতীয় দৃশ্য :- 
 
[ পোস্টমাস্টার এবং রতন মঞ্চে উপবিষ্ট। ] 
 
পোস্টমাস্টার : জানিস রতন , আমারও বাড়ির কথা মনে পড়ে। খুব মনে পড়ে। ছোটভাই , মা আর দিদির কথা। ………… এই জনহীন , সঙ্গীহীন , বন্ধুহীন প্রবাসে যদি তারা কেউ থাকতো , নিজের যদি কেউ থাকতো , স্নেহ করার জন্য মায়ের মতো কেউ থাকতো  ……. তাহলে নিজেকে এতটা অসহায় লাগতো না। 
 
[ রতন এবং পোস্টমাস্টার দুজনেই দীর্ঘশ্বাস ফেলে। ] 
 
পোস্টমাস্টার : ছাড় এসব কথা। অন্য একটা কথা বলি। …….. বলছি তোর কি পড়াশোনা কিছু শেখা আছে ? 
 
রতন : না গো দাদাবাবু। 
 
পোস্টমাস্টার ( উৎসাহ পেয়ে ) : শোন্ রতন , তোকে আমি প্রতিদিন একটু একটু করা পড়তে শেখাবো পড়বি তো ? 
 
রতন : হ্যাঁ , দাদাবাবু।     
 
তৃতীয় দৃশ্য : - 
 
[ রতন খাটিয়ার উপর শুয়ে আছে। রতন ধীরে ধীরে মঞ্চে প্রবেশ করলো। হাতে খাবারের থালা। ] 
 
রতন : কী হয়েছে দাদাবাবু , এসময় শুয়ে আছো যে ! ঘুমোছিলে ? 
 
পোস্টমাস্টার ( ক্লান্ত কণ্ঠে ) :  শরীরটা ভালো বোধ হচ্ছে না। দেখ তো আমার কপালে হাত দিয়ে। 
 
[ রতন দ্রুত খাবারের থালা পাশে রেখে পোস্টমাস্টারের কপালে হাত দিল। ] 
 
রতন ( উদ্বিগ্ন কণ্ঠে ) : এ কী দাদাবাবু , তোমার যে জ্বর ! গা যে একেবারে পুড়ে যাচ্ছে গো। 
 
[ একথা বলে রতন একবাটি জল ও একটি ন্যাকড়া নিয়ে পোস্টমাস্টারের কপালে জলপট্টি দিতে শুরু করলো। কিছুক্ষন পর পর জিজ্ঞেস করতে থাকলো - ‘’ হ্যাঁ গো দাদাবাবু , একটুখানি ভালো বোধ হচ্ছে কি ?  ] 
 
পোস্টমাস্টার ( কাতর কণ্ঠে ) : জানিস রতন , মায়ের কথা খুব মনে পড়ছে। এসময় মা পাশে থাকলে খুব ভাল হত।  …………. তুই  ……… তুইও না ঠিক মায়ের মতো  ……… স্নেহময়ী।   

চতুর্থ দৃশ্য : - 
 
পোস্টমাস্টার : নাহঃ , এভাবে আর চলতে পারে না। …….. আজই আমি স্থানীয় অস্বাস্থ্যের কথা উল্লেখ করে কলকাতার কর্তৃপক্ষের নিকট বদলির জন্য দরখাস্ত করবো। ……….. না দরখাস্ত করেই আসি। 
 
[ পোস্টমাস্টার মঞ্চ ত্যাগ করলো এবং কিছুক্ষন পরেই আবার ফিরে এল। ] 
 
পোস্টমাস্টার : রতন  ……… এই রতন  …….. একবার এদিকে আয় তো  ……
 
[ রতন মঞ্চে প্রবেশ করে। ] 
 
পোস্টমাস্টার : শোন , আমি কলকাতার কর্তৃপক্ষের কাছে বদলির আবেদন করেছিলাম। কিন্তু দরখাস্ত নাকচ হয়ে গেছে। তাই আমি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে দিয়েছি। তাই কাল’ই আমি চলে যাচ্ছি।      
 
রতন : কোথায় যাচ্ছ , দাদাবাবু ? 
 
পোস্টমাস্টার : বাড়ি যাচ্ছি। 
 
রতন : আবার কবে আসবে ? 
 
পোস্টমাস্টার : আর আসবো না। 
 
[ রতনের মুখ কালো হয়ে এল। সমস্ত আনন্দ মুছে গেল মুখ থেকে। কিছুক্ষন চুপ করে থাকার পর রতন রান্না করার উদ্যোগ করতে শুরু করলো।       
 
রতন : দাদাবাবু , আমাকে তোমাদের বাড়ি নিয়ে যাবে ? 
 
পোস্টমাস্টার : সে কী করে হবে ! ( কথাটা বলার সময় পোস্টমাস্টার যেন একটু বেদনা অনুভব করলো। )  
 
[ রতন কিছু না বলে চুপচাপ রান্নার উদ্যোগ করছে। কিছুক্ষন পর  …. ]  
 
পোস্টমাস্টার : শোন রতন , আমার জায়গায় যে লোকটি আসবেন তাঁকে বলে দিয়ে যাব , তিনি তোকে আমারই মতন যত্ন করবেন।  ………. আর এই নে ( জামার পকেট থেকে কিছু টাকা বের করে ) তোকে আমি কখনো কিছু দিতে পারিনি। আজ যাবার সময় ক’টা টাকা তোকে দিয়ে গেলাম , এতে তোর কদিন চলবে। 
 
[ হঠাৎ রতন রান্না ছেড়ে কাঁদতে কাঁদতে সরাসরি পোস্টমাস্টারের পায়ে লুটিয়ে পড়ে। ] 
 
রতন ( কাঁদতে কাঁদতে ) : না না তোমার কাউকে কিছু বলতে হবে না , আমি আর এখানে থাকতে চাই নে  ………… আর দাদাবাবু , তোমার দুটি পায়ে পড়ি , আমাকে কিছু দিতে হবে না। আমার জন্য কাউকে কিছু ভাবতে হবে না। 
 
[ একথা বলে উচ্ছসিত হয়ে কাঁদতে কাঁদতে রতন এক দৌড়ে মঞ্চ থেকে প্রস্থান করলো। পোস্টমাস্টার কিছুক্ষন চুপ করে থাকলো , তারপর যেন নিজেকেই স্বান্তনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বলে উঠল  ……. ] 
 
পোস্টমাস্টার : হায় বুদ্ধিহীন মানব হৃদয় ! মিথ্যা আশাকে দুই বাহুবন্ধনে বেঁধে মানুষ সত্য বলে মনে করে। এক ভ্রান্তি থেকে এক ভ্রান্তিতে জড়িয়ে পড়া মানবের চিরকালের অভ্যাস। ……….. কিন্তু সত্যিই খুব ইচ্ছা হয়  ……… খুব ইচ্ছা হয়  ……. এই অনাথিনীকে সঙ্গে করে নিয়ে যাই  ……….. কিন্তু কি লাভ ! জীবনে এমন কত বিচ্ছেদ আছে , মৃত্যু আছে  ………. পৃথিবীতে কে কার ! 
 
[ ধীরে ধীরে যবনিকা পতন। ] 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।


Share
Tweet
Pin
Share
No comments

HS BENGALI PROJECT :- 

উচ্চমাধ্যমিক বাংলা প্রকল্প :-  

চরিত্র পর্যালোচনা : ব্যোমকেশ বক্সী। 




ভূমিকা : - 

বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট হল মহান সাহিত্যিকদের সৃষ্ট বিভিন্ন চরিত্রগুলিকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ক্ষেত্রে এক - একটি বিশেষ জগৎ তৈরী করেছে। এই সকল সাহিত্য চরিত্রগুলির মধ্যে অন্যতম হল - ফেলুদা , ঘনাদা , টেনিদা , ব্যোমকেশ বক্সী , কিকিরা , কাকাবাবু - প্রমুখ। প্রতিটি চরিত্রের ক্ষেত্রে তাদের বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট বর্তমান। এই ধরণের চরিত্র কেন্দ্রিক সাহিত্য বাংলা সাহিত্য জগৎকে আরো প্রসারিত করেছে এবং চরিত্রগুলি পাঠককুলের মনে চিরস্থায়ী স্থান দখল করে রেখেছে ও বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। এই চরিত্রগুলির মধ্যে অন্যতম হল শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়ের রচিত ও সৃষ্ট ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্রটি। 

বর্তমান প্রকল্পটিতে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ও সৃষ্ট ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্রটির পর্যালোচনা করা হয়েছে। ব্যোমকেশ বক্সীকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন গল্প ও উপন্যাস , চারিত্রিক বৈশিষ্ট , গল্পগুলির রচনাশৈলী , ব্যোমকেশ বক্সীকে নিয়ে তৈরী বিভিন্ন চলচ্চিত্র ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি বর্তমান প্রজন্মের পাঠককুলের কাছে ব্যোমকেশ বক্সী কতটা গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় সে বিষয়েও তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য :- 

যে সকল উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এই প্রতিবেদনমূলক প্রকল্পটি রূপায়ণ করা হয়েছে , সেগুলি হল - 
১. বাংলা সাহিত্যে চরিত্রনির্ভর সাহিত্যকীর্তিগুলি সম্পর্কে জ্ঞানলাভ। 
২. শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্রটি সম্পর্কে আলোকপাত করা। 
৩. চরিত্রটির চারিত্রিক বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা। 
৪. শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখনীশৈলী সম্পর্কে আলোচনা করা। 
৫. ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্রটি নিয়ে যে সকল গঠনমূলক শিল্পকীর্তি রচিত হয়েছে সেগুলির তথ্য তুলে ধরা। ৬. বর্তমান প্রজন্মের পাঠককুলের মধ্যে ব্যোমকেশ বক্সী কতটা জনপ্রিয় - সে বিষয়ে পর্যালোচনা করা। ৭. বর্তমান সাহিত্য জগতে ব্যোমকেশ বক্সীর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করা। 
৮. সর্বপরি , বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্রটি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের কৌতুহলী করে তোলা। 

প্রকল্পটির গুরুত্ব : - 

যে সকল কারণে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে , সেগুলি হল -    

১. প্রকল্পটির মাধ্যমে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্রটি সম্পর্কে জানা সম্ভব। ২. ব্যোমকেশ বক্সীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট , লেখকের রচনাশৈলী - এই বিষয়গুলি সম্পর্কে প্রকল্পটিতে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। 
৩. ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যকে কতটা প্রভাবিত করেছে  - সে সম্পর্কে জানতে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ। 
৪. বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থী ও পাঠকবৃন্দের মধ্যে ব্যোমকেশ বক্সী কতটা জনপ্রিয় ও চরিত্রটি তাদের সাহিত্য ও সৃজনশীল মননকে কতটা প্রভাবিত করেছে - সে সম্পর্কে জানতে প্রকল্পটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। 
৫. লেখক শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায় ব্যোমকেশ বক্সীকে নিয়ে যেসকল গল্প লিখেছেন , ব্যোমকেশ বক্সীকে নিয়ে যেসকল চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে - সে সকল তথ্য প্রকল্পটিতে সহজেই পাওয়া সম্ভব। 
৬. সর্বপরি , ব্যোমকেশ বক্সীর মত একটি কালজয়ী চরিত্র সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের কৌতুহলী করে তুলতে প্রকল্পটি কার্যকরী। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

তথ্য সংগ্রহ :- 

প্রকল্পের বিষয় নির্বাচিত করার পর বিদ্যালয়ের বাংলা বিষয়ের প্রকল্প তত্ত্বাবধায়ক / তত্ত্বাবধায়িকা নির্দেশ অনুসারে বিভিন্ন গ্রন্থপাঠ করে প্রকল্পের প্রতিবেদন রচনার জন্য বিভিন্ন গ্রন্থ পাঠ করা হয়। এই ক্ষেত্রে ব্যোমকেশ বক্সীর গল্পগুলি পাঠ করা হয় চরিত্রটির সম্পর্কে সাধারণ ধারণা পাওয়ার জন্য। এরপর পাঠ করা গল্পগুলির ভিত্তিতে ও ইন্টারনেট থেকে আরো কিছু তথ্য সংগ্রহ করে একটি প্রকল্প রচনা করে প্রকল্প তত্ত্বাবধায়ক / তত্ত্বাবধায়িকার নিকট উপস্থাপন করা হয় ও পরে তার নির্দেশমত প্রয়োজনীয় সংশোধনের পর প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হয়। 

তথ্য বিশ্লেষণ : - 

সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে প্রকল্পের বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল। 

ব্যোমকেশ বক্সী শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় সৃষ্ট বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র।

চরিত্রটির পরিচয় :-     
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্ট চরিত্র হিসেবে ব্যোমকেশ বক্সীর আবির্ভাব হয় সত্যান্বেষী গল্পে। ১৩৩১ বঙ্গাব্দে কলকাতার চীনাবাজার অঞ্চলে পরপর কয়েকটি খুনের ঘটনার কিনারা করতে 'বে-সরকারী ডিটেকটিভ' ব্যোমকেশ বক্সী পুলিশ কমিশনারের অনুমতি নিয়ে অতুলচন্দ্র মিত্র ছদ্মনামে এই অঞ্চলে এক মেসে বসবাস শুরু করেছিলেন। এই মেসে তার ঘরের অন্য ভাড়াটিয়া অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলমে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যোমকেশের অধিকাংশ গোয়েন্দা গল্পগুলি লিখিয়েছিলেন। সত্যান্বেষী গল্পে ব্যোমকেশের বিবরণ দিতে গিয়ে অজিত বলেছেন, ...তাহার বয়স বোধকরি তেইশ-চব্বিশ হইবে, দেখিলে শিক্ষিত ভদ্রলোক বলিয়া মনে হয়। গায়ের রঙ ফরসা, বেশ সুশ্রী সুগঠিত চেহারা-মুখে চোখে বুদ্ধির একটা ছাপ আছে। এই গল্পের শেষে জানা যায়, হ্যারিসন রোডের একটি বাড়ীর তিনতলা ভাড়া নিয়ে ব্যোমকেশ বসবাস করেন। এই বাড়িতে ব্যোমকেশ ছাড়া দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পরিচারক পুঁটিরাম। ব্যোমকেশের অনুরোধে অজিত এই বাড়ীতে বসবাস শুরু করেন। বাড়ীর দরজায় পেতলের ফলকে লেখা ছিল শ্রীব্যোমকেশ বক্সী, সত্যান্বেষী। সত্যান্বেষীর অর্থ জিজ্ঞাসা করায় অজিতকে ব্যোমকেশ বলেন, ওটা আমার পরিচয়। ডিটেকটিভ কথা শুনতে ভালো নয়, গোয়েন্দা শব্দটা আরও খারাপ, তাই নিজের খেতাব দিয়েছি সত্যান্বেষী। পরের গল্পগুলিতে ব্যোমকেশ নিজেকে সত্যান্বেষী বলেই পরিচয় দিয়েছেন। অর্থম - অনর্থম্‌ গল্পে ব্যোমকেশের সঙ্গে একটি খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সুকুমারবাবুর বোন সত্যবতীর পরিচয় হয় , যার সাথে পরে তার বিবাহ সম্পন্ন হয়। আদিম রিপু গল্পে ব্যোমকেশের বাল্যকাল সম্বন্ধে কিছু তথ্য জানা যায়। ব্যোমকেশের পিতা স্কুলে অঙ্কের শিক্ষক ছিলেন ও বাড়িতে সাংখ্য দর্শনের চর্চা করতেন এবং তার মাতা বৈষ্ণব বংশের মেয়ে ছিলেন। ব্যোমকেশের যখন সতেরো বছর বয়স, তখন তার পিতা ও পরে তার মাতা যক্ষ্মা রোগে মারা যান। পরে ব্যোমকেশ জলপানির সাহায্যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও ভারতের স্বাধীনতা লাভের পরেও অজিত ও সপরিবারে ব্যোমকেশ হ্যারিসন রোডের বাড়িতে বসবাস করেন। পরে তারা দক্ষিণ কলকাতার কেয়াতলায় জমি কিনে সেখানে বাড়ি বানিয়ে চলে যাবেন বলে মনস্থির করেন। 

গল্পলেখক অজিত - এর পরিচয় :- 
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যোমকেশ বক্সী সিরিজের গল্পগুলিতে লেখক হিসেবে ব্যোমকেশের বন্ধু অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপস্থাপিত করেছেন। ব্যোমকেশের প্রতিটি রহস্যভেদের সঙ্গী অজিতের লেখনীতে ব্যোমকেশের অধিকাংশ গল্পগুলি তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু রুম নম্বর দুই, শজারুর কাঁটা, বেণীসংহার, লোহার বিস্কুট, বিশুপাল বধ এই গল্পগুলিতে অজিতকে গল্পলেখক হিসেবে উপস্থিত করা হয়নি। এই প্রসঙ্গে শরদিন্দু বলেছেন, অজিতকে দিয়ে ব্যোমকেশের গল্প লেখানো আর চলছে না। একে তো ভাষা সেকেলে হয়ে গেছে, এখনো চলতি ভাষা আয়ত্ত করতে পারেনি, এই আধুনিক যুগেও 'করিতেছি', 'খাইতেছি' লেখে। উপরন্তু তাঁর সময়ও নেই। পুস্তক প্রকাশের কাজে যে লেখকেরা মাথা গলিয়েছেন তাঁরা জানেন, একবার মা-লক্ষ্মীর প্রসাদ পেলে মা-সরস্বতীর দিকে আর নজর থাকে না। তাছাড়া সম্প্রতি অজিত আর ব্যোমকেশ মিলে দক্ষিণ কলকাতায় জমি কিনেছে, নতুন বাড়ি তৈরী হচ্ছে; শীগ্‌গিরই তারা পুরনো বাসা ছেড়ে কেয়াতলায় চলে যাবে। অজিত একদিকে বইয়ের দোকান চালাচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ি তদারক করছে; গল্প লেখার সময় কোথায়? ...... দেখেশুনে অজিতকে নিস্কৃতি দিলাম, এখন থেকে আমিই যা পারি লিখব। 

ব্যোমকেশ বক্সীকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন গল্প ও উপন্যাস :- 
রচনাকাল অনুসারে ব্যোমকেশ সিরিজের প্রথম গল্প পথের কাঁটা (৭ই আষাঢ়, ১৩৩৯ বঙ্গাব্দ) এবং দ্বিতীয় গল্প সীমন্ত-হীরা (৩রা অগ্রহায়ণ, ১৩৩৯ বঙ্গাব্দ)। এই দুইটি গল্প লেখার পর শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্র নিয়ে সিরিজ লেখার কথা চিন্তা করে ১৩৩৯ বঙ্গাব্দের ২৪শে মাঘ সত্যান্বেষী গল্প রচনা শেষ করে ব্যোমকেশ চরিত্রকে পাঠকের সামনে উপস্থিত করেন। সেই কারণে সত্যান্বেষী গল্পটিকে ব্যোমকেশ সিরিজের প্রথম গল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। ১৩৩৯ থেকে ১৩৪৩ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত দশটি গল্প লেখার পর পাঠকদের ভালো লাগবে না ভেবে পনেরো বছর ব্যোমকেশকে নিয়ে আর কোন গল্প লেখেননি। এরপর কলকাতার পরিমল গোস্বামীর বাড়ির ছেলেমেয়েদের অনুরোধে ১৩৫৮ বঙ্গাব্দের ৮ই পৌষ চিত্রচোর গল্পটি লেখেন। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যোমকেশ চরিত্র নিয়ে তেত্রিশটি কাহিনী রচনা করেছেন। এর মাঝে বিশুপাল বধ গল্পটি তিনি সম্পূর্ণ করে যেতে পারেননি। পরবর্তীতে এই গল্প সম্পূর্ণ করেন সাহিত্যিক নারায়ণ সান্যাল। 

ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্র নিয়ে রচিত কাহিনীগুলি হল - সত্যান্বেষী , পথের কাঁটা , সীমন্ত-হীরা , মাকড়সার রস , অর্থমনর্থম্‌ , চোরাবালি , অগ্নিবাণ , উপসংহার , রক্তমুখী নীলা , ব্যোমকেশ ও বরদা , চিত্রচোর , দুর্গরহস্য , চিড়িয়াখানা , আদিম রিপু , বহ্নি-পতঙ্গ , রক্তের দাগ , মণিমণ্ডন , অমৃতের মৃত্যু , শৈলরহস্য , অচিন পাখি , কহেন কবি কালিদাস , অদৃশ্য ত্রিকোণ , খুঁজি খুঁজি নারি , অদ্বিতীয় , মগ্নমৈনাক , দুষ্টচক্র , হেঁয়ালির ছন্দ , রুম নম্বর দুই , ছলনার ছন্দ , শজারুর কাঁটা , বেণীসংহার , লোহার বিস্কুট , বিশুপাল বধ (অসমাপ্ত) , তিতির সেন হত্যা রহস্য। 

চলচ্চিত্রে ব্যোমকেশ বক্সী :- 
ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্র নিয়ে রচিত গল্পগুলিকে ভিত্তি করে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। এই চলচ্চিত্রগুলি তালিকাবদ্ধ করা হল-
১. চিড়িয়াখানা - সত্যজিৎ রায় -১৯৬৭
২. শজারুর কাঁটা - মঞ্জু দে - ১৯৭৪
৩. শজারুর কাঁটা - শ্যামল ঘোষাল , শৈলেন মুখোপাধ্যায়
৪. মগ্ন মৈনাক - স্বপন ঘোষাল -২০০৯
৫. ব্যোমকেশ বক্সী - অঞ্জন দত্ত -২০১০
৬. আদিম রিপু - আবীর চট্টোপাধ্যায় ,শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়
৭. আবার ব্যোমকেশ - অঞ্জন দত্ত -২০১২
৮. চিত্রচোর- আবীর চট্টোপাধ্যায় শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়
৯. সত্যান্বেষী-ঋতুপর্ণ ঘোষ-২০১৩ 
১০. চোরাবালি -সুজয় ঘোষ ,অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়
১১. দূরবীন - স্বাগত চৌধুরী - ২০১৪
১২. ব্যোমকেশ ফিরে এলো- অঞ্জন দত্ত-২০১৪
১৩. বেণী সংহার -আবীর চট্টোপাধ্যায় , শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়
১৪. ডিটেকটিভ ব্যোমকেশ বক্সী -হিন্দি দিবাকর বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৫। ইত্যাদি। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

সিদ্ধান্ত - গ্রহণ :- 

উপরোক্ত আলোচনার পরিপ্রক্ষিতে যে সকল সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় তা নিম্নরূপ :- 

১. বাংলা সাহিত্যে বেশ ক'জন গোয়েন্দার আবির্ভাব হলেও সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ফেলুদা এবং ব্যোমকেশ। কিন্তু গোয়েন্দা হলেও ব্যোমকেশ আর ফেলুদা এক কাতারের মানুষ নন। বইয়ের পাতায় ব্যোমকেশ যেন আমাদের চেনা একটি মুখ, যার সংসার আছে, সমাজে বিস্তর চলাফেরা আছে, নিজের উপার্জনের চিন্তা করতে হয়, এবং রক্ত-মানুষের মানুষের মতো সময়ের সাথে বয়স বৃদ্ধি হয়। আর তার কাছে আসা কেসগুলো অনেকটা সামাজিক সমস্যার, আমাদের সাংসারিক সমস্যার, একটি সমাজের বিবাদ ও ষড়যন্ত্রের। 

২. ব্যোমকেশের প্রত্যেকটি গল্পের অন্যতম সুন্দর দিক, যে সময়ে গল্পটি বলা হচ্ছে, সে সময়ের কলকাতার খুব দুর্দান্ত উপস্থাপন। পাঠক গল্পের সাথে, ব্যোমকেশের সমস্যা সমাধানের চিন্তাধারার পাশাপাশি তৎকালীন সময়ের কলকাতার চিত্র যেন নিজের চোখের সামনে কল্পনা করতে পারবেন। যেমন- 'আদিম রিপু'। এ গল্পের পটভূমি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে। বাংলায় এ বিশ্বযুদ্ধের তাণ্ডব বোঝা না গেলেও, সে সময়ে কলকাতার অবস্থা, মুসলমান বনাম হিন্দু দাঙ্গার প্রভাব পড়েছে গল্পেও। 

৩. এই বাংলায় ইংরেজ শাসনের সময়কাল ও সে সময়ের পরিস্থিতির উল্লেখ আছে। তাই অমৃতের মৃত্যু, খুঁজি খুঁজি নারী, রক্তের দাগ, সীমান্ত-হীরা এ সকল গল্প শুধু একজন গোয়েন্দার সত্য আবিষ্কারের কাহিনী নয়, এ গল্পগুলো সে সময়ে বাংলা ও কলকাতার অবস্থা ও পরিস্থিতিকে মনে করিয়ে দেয়। 

৪. গোয়েন্দা সাহিত্য ও প্রেম যে একই রেখায় চলতে পারে এমনটি দুর্লভ। কিন্তু শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় তার চরিত্রকে প্রেমে আবদ্ধ করে রাখেননি। সত্যবতীর সাথে তাকে বিয়েও করিয়ে দেন। তাদের একটি সন্তানের কথাও কয়েকটি গল্পে উল্লেখ আছে। পরবর্তীতে প্রায় প্রত্যেকটি গল্পে সত্য অন্বেষণের পাশাপাশি তাদের সংসারের গল্প, তাদের খুনসুটি, মনোমালিন্য এবং দু'জনের ভালোবাসার নমুনা পাওয়া যায়। একজন গোয়েন্দা চরিত্রের এমন সাংসারিক কাব্য বাংলা সাহিত্যে এর আগে দেখা যায়নি।

৫. শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখনীতে ব্যোমকেশের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে প্রত্যেকটি সত্য আবিষ্কারের পরিশেষে যবনিকা পতন। 'অগ্নিবাণ' গল্পটি ছিলো এক ভয়ংকর রাসায়নিক নিয়ে। যে রাসায়নিক নিঃশ্বাসের সাথে দেহের ভেতরে ঢুকলে চোখের পলকে মৃত্যু ঘনিয়ে আসে। এমন মৃত্যুবাণ নিয়ে ব্যোমকেশ বলেছিল ভবিষ্যতের কথা। পৃথিবী হিংসায় যেমন জ্বলে-পুড়ে একে অন্যেকে ধ্বংস করার মাতাল খেলায় মেতেছে। এমন পদার্থ তৈরি করলে এ বিশ্ব কতদিন টিকবে!

৬.  'বহ্নি-পতঙ্গ' গল্পে দেখা মিলেছে কাব্যিক ব্যোমকেশের। এ গল্পের শেষে সত্যকে সামনে টেনে আনার সময় সে ভালোবাসা ও প্রেমের দুর্দান্ত এক সংজ্ঞা দিয়েছে, যা গোয়েন্দা চরিত্রের ভেতরে একটুকরো মানুষের প্রতিচ্ছবিকে তুলে ধরে। 

৭. শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় চেষ্টা করে গিয়েছেন ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্রকে যতটা সম্ভব বাস্তবভাবে তুলে ধরার, যাতে পাঠকরা তাকে একজন সমাজে বসবাস করা সাধারণত মানুষ ও অন্যের সমস্যা সমাধানের পেশাকে আর দশটা পেশার মতো স্বাভাবিকভাবে নিতে পারে। এজন্য ব্যোমকেশের স্বভাব, কর্মকাণ্ড, পরিচয় বা অবস্থা আর দশটি বাস্তব মানুষের মতো, কোনো বইয়ের পাতার চরিত্র নয়। তার কাছে আসা সমস্যাগুলোও আমাদের চারপাশের লোভ-লালসার, পারিবারিক কলহ, প্রেম ও ষড়যন্ত্রের মিশ্রণ। 

উপসংহার :- 

বাংলা সাহিত্যের এক অমর সৃষ্টি ব্যোমকেশ বক্সী। চরিত্রটি বাঙালির দৈনন্দিন জীবনের সাথে এমনভাবে মিশে গেছে যে , লেখকের মৃত্যুর এত বছর পরও ব্যোমকেশ বক্সীকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রগুলির জনপ্রিয়তা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। চরিত্রটির মধ্যে দিয়ে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা , ঘাত - প্রতিঘাত - ইত্যাদির প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। এছাড়াও গল্পগুলির মধ্যে দিয়ে তৎকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের প্রতিচ্ছবি লক্ষ্য করা যায়। গল্পগুলির মধ্যে দিয়ে যেভাবে দৈনন্দিন জীবনের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে তাতে তৎকালীন সময়ের বাঙালিদের সাধারণ জীবনযাত্রা , সাজ পোশাক , খাদ্যাভ্যাস - ইত্যাদি সম্পর্কেও জানা যায়। বাংলা সাহিত্য জগতের এক বিশিষ্ট অংশ জুড়ে ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্রটি এক গুরুত্বপূর্ণ অংশের অধিকারী এবং রাতের আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্রের ন্যায় বিরাজমান। 

গ্রন্থপঞ্জি / তথ্যসূত্র :- 

যে সকল গ্রন্থ ও ওয়েবসাইট প্রকল্পটি রচনার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়েছে , সেগুলি হল - 

১. বাংলা ভাষা ও শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির ইতিহাস - দ্বাদশ শ্রেণি - পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

২. www. wikipedia.com 

৩. roarmedia.com        

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।


Share
Tweet
Pin
Share
No comments

HS PROJECT 

Dramatization/ Theatrical Script : Selfish Giant ( Oscar Wilde ) 



SCENE : ONE 
Stage Preparation : The stage should be arranged as if it is a garden. There will be green carpet on the stage. There will be small flowering trees on the stage. There will be some flowers in it. As soon as the curtain rises, the audience  can see some children playing on the stage.

Boy 1 : Wow ! What a lovely garden ! 

Boy 2 : Yes , it is the most wonderful garden in the world .

Boy 3 : How happy we are here ! 

Boy 1 & 2 : Yes we are very happy here .

[ They started playing again .  After a while the giant came on the stage . He looked very surprised to see that the children were playing in his garden here and there . He became furious  . ] 

Giant ( cried in a very gruff voice ) : What are you doing here ? I visited with my friend Cornish Ogre seven years ago . And during that time , you are misusing my beautiful garden ? You children ! What are you doing here ? 

[  The children are very scared to see the giant . They fled from the stage . ] 

Giant : My own garden is my own garden, any one can understand that, and I will allow nobody to play in it but myself. I will build a high wall all round it, and will put up a notice-board , commanding ( loud ) TRESPASSERS WILL BE PROSECUTED . 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

SCENE : TWO 

Stage :  Remove everything that was on stage in the first scene ,the stage will be completely empty . 
[ A few children entered the stage. ] 

Boy 1 : He is a selfish giant .

Boy 2 : Yes , very selfish .

Boy 3 : We are feeling very poor .

Boy 4 : We have nowhere to play . 

Boy 1 : We tried to play on the road . But the road was very dusty and full of hard stones . We do not like it  . 

Boy 2 : I used to wander round the high wall when my lessons were over and thought about the beautiful garden inside .

Boy 3 & 4 : Me to ……

All the boys : How happy we were there ! 

[ Suddenly a boy entered the stage ] 

The new boy : Friends , friends ………… I have a good news for all of you .

Boy 1 & 2 : Good news ! What is it ? 

The new boy : I noticed a small hole in the wall in the giant’s garden . 

Boy 2 : But if we enter , the giant will throw us away from there . 

The new boy : No , no …… I think he is sleeping . 

Boy  3 & 4 : Are you sure ? 

The new boy : I think so . 

Boy 1 & 2 : Ok , let’s go to the garden . 

[ They left the stage and the giant came . ] 

Giant :  The Spring came all over the country . There are little blossoms and little birds. But only in my garden it is still winter. The birds do not care to sing in it as here are no children, and the trees forget to blossom. The only people who are pleased are the Snow and the Frost. Spring has forgotten this garden . The Snow covered up the grass with her great white cloak, and the Frost painted all the trees silver. Then they invited the North Wind to stay with them, and he came. He was wrapped in furs, and he roared all day about the garden, and blew the chimney-pots down. 
I cannot understand why the Spring is so late in coming . I hope there will be a change in the weather.

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.


SCENE : THREE 

Stage Preparation : As same as the first scene . 

Giant : I am seeing the most wonderful sight .  I can't believe that spring has come . But how is it possible ? ( Looking here and there ) I think the children came into the garden so the spring came . ( Loud ) Hey boys …. 

[ But the children are terrified when they see the giant and try to escape .] 

Giant : Hey boys don’t go away . I am a giant , but now your friend .

[ The boys stopped , looking at each other’s faces . Giant came closer to them . ] 

Giant : Look boys , I am now very decent . You may consider me as your friend . You can play here whenever you wish . 

[ The boys are looking very happy . They started playing . But a kid, who is too young, cannot play . The giant noticed him . ] 

Giant : Hey , little one , why are you not playing  ? 

The little kid : I am too tiny . So I can not play . 

Giant : Ok , I will play with you . 

[ Then the giant started playing with the little kid  . The stage light faded . The stage went completely dark . It was heard from the background : ‘ Next Day ’  . The stage lit up again . Boys are playing in the garden . The giant is looking for someone .]  

Giant ( to a boy ) : Hey where is he ? 

The boy : Who ? 

Giant : Your little companion ? 

The boy :    I do not understand whom you are talking about . 

Giant : The little kid , I played with him yesterday . 

The boy : I do not see him right now . 

Giant : Ok , keep continue your playing .  

[ Again stage light faded and the stage went into complete darkness . A background voice heard : ‘Next Day’ . The stage lit up again .]

Giant : Hey boys , where is your little companion ? 

A boy :  We haven't seen him in recent days . 

Giant :  You must tell him to be sure and come here to-morrow . I love him most because we played together . 

SCENE : FOUR 

The Giant grew very old and feeble. He could not play about any more, so he sat in a huge armchair, and watched the children at their games, and admired his garden. 

Giant : I have many beautiful flowers, but the children are the most beautiful flowers of all.
 
[ Children are playing . After a while , they left the stage . The giant is alone on the stage . After a few moments , the little kid entered the stage . The giant noticed him . He is surprised . He start running towards the little kid . ] 

Giant : Hey , little friend , Where have you been all this time?

[ Suddenly he noticed the arm of the little boy and his face grew red with anger . ] 

Giant : Who hath dared to wound thee?  The prints of two nails, and the prints of two nails on your little feet. Who hath dared to wound thee? (  cried ) tell me, that I may take my big sword and slay him.

The little kid : Nay ! But these are the wounds of Love.

Giant ( surprised ) Who art thou ? 

[ The Giant knelt before the little child. ] 

The little kid ( smiled at the Giant ) : You let me play once in your garden, to-day you shall come with me to my garden, which is Paradise. 

SCENE : FIVE  

[ The kids entered the stage to play. Upon entering, they saw the giant lying on one side of the garden . ] 

Boy 1 : Hey giant , why are you sleeping . Let’s play . 

Boy 2 ( Noticing the giant carefully ) Oh my god ! He is dead .

[ Hearing this, all the children broke down in tears. After a while they picked flowers from the garden and spread them on the body of the giant. ] 

[ Curtain down slowly . ] 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.


Share
Tweet
Pin
Share
No comments
Newer Posts
Older Posts

Contact Form

Name

Email *

Message *

About me

Hellow viewers, myself Nandan Dutta reside at Maheshpur ,Malda, West Bengal, India.

My intent to make the website is to share my view and knowledge to the HS students. They can easily find projects, HS suggestion and many more here.


Categories

  • Career (3)
  • CLASS 11 (XI) (1)
  • Class XI 1st Semester (7)
  • CLASS XI 2nd Semester (16)
  • H.S. 3rd SEM (9)
  • H.S. 4th SEM (10)
  • H.S. EDUCATION (5)
  • H.S. HISTORY (1)
  • HS SOCIOLOGY (2)
  • HS SUGGESTION (1)
  • INDIAN HISTORY (44)
  • NCERT (1)
  • POLITY (62)
  • PROJECT (98)
  • Sociological Studies (79)
  • Teaching & Education (128)
  • TEST PAPERS SOLVE (11)
  • TEST PAPERS SOLVE 2020 (7)
  • WORLD HISTORY (53)
  • XI EDUCATION (7)
  • XI HISTORY (3)
  • XI POL SC (1)
  • XI SOCIOLOGY (1)
  • XII Bengali (1)
  • XII Sanskrit (1)

recent posts

Sponsor

Facebook

Blog Archive

  • June 2026 (3)
  • December 2025 (5)
  • November 2025 (7)
  • October 2025 (2)
  • September 2025 (1)
  • August 2025 (10)
  • July 2025 (14)
  • June 2025 (4)
  • May 2025 (23)
  • April 2025 (75)
  • March 2025 (32)
  • December 2024 (5)
  • November 2024 (70)
  • October 2024 (1)
  • September 2024 (1)
  • July 2024 (5)
  • June 2024 (3)
  • April 2024 (2)
  • March 2024 (3)
  • February 2024 (11)
  • January 2024 (1)
  • November 2023 (4)
  • October 2023 (8)
  • September 2023 (10)
  • April 2023 (9)
  • March 2023 (18)
  • February 2023 (2)
  • January 2023 (1)
  • December 2022 (3)
  • November 2022 (3)
  • October 2022 (4)
  • September 2022 (16)
  • August 2022 (3)
  • July 2022 (5)
  • June 2022 (5)
  • April 2022 (23)
  • March 2022 (10)
  • February 2022 (18)
  • January 2022 (30)
  • December 2021 (8)
  • November 2021 (12)
  • October 2021 (2)
  • September 2021 (5)
  • August 2021 (2)
  • July 2021 (2)
  • June 2021 (5)
  • May 2021 (1)
  • April 2021 (2)
  • November 2020 (1)
  • October 2020 (1)
  • August 2020 (2)
  • June 2020 (3)
  • May 2020 (1)
  • October 2019 (3)
  • September 2019 (5)
  • August 2019 (3)
  • June 2019 (3)
  • May 2019 (3)
  • April 2019 (1)
  • March 2019 (2)
  • February 2019 (3)
  • December 2018 (1)
  • November 2018 (3)
  • October 2018 (4)
  • August 2018 (1)

Total Pageviews

Report Abuse

About Me

subhankar dutta
View my complete profile

Sponsor

Pages

  • Home
  • Project
  • জাতীয় শিক্ষানীতি 1986 SAQ
  • EDU FINAL A 2020
  • Class XI ( Class 11 ) Sociology chapter wise MCQ &...
  • Class 12 (H.S.) History Chapter Wise MCQ & SAQ
  • Class 11 (XI) Sociology 1st chapter MCQ & SAQ
  • H.S. Sociology notes .
  • H.S. Sociology 1st chapter MCQ & SAQ ( only reduce...
  • H.S. Education 10th chapter SAQ & MCQ
  • H.S. Education 10th chapter MCQ & SAQ
  • CLASS 12 SOCIOLOGY 4TH CHAPTER SAQ WITH ANSWER

Pages

  • About Me
  • Contact
  • Privacy Policy
  • Disclaimer

Created with by ThemeXpose | Distributed by Blogger Templates