Pages

Powered by Blogger.

Pages

Pages

Pages

facebook twitter instagram pinterest bloglovin Email
Career CLASS 11 (XI) Class XI 1st Semester CLASS XI 2nd Semester H.S. 3rd SEM H.S. 4th SEM H.S. EDUCATION H.S. HISTORY HS SOCIOLOGY HS SUGGESTION INDIAN HISTORY NCERT POLITY PROJECT Sociological Studies Teaching & Education TEST PAPERS SOLVE TEST PAPERS SOLVE 2020 WORLD HISTORY XI EDUCATION XI HISTORY XI POL SC XI SOCIOLOGY XII Bengali XII Sanskrit

Pages

Nandan Dutta

School project and education news.

Pages

উচ্চমাধ্যমিক বাংলা প্রকল্প : ক্ষেত্র সমীক্ষা। 



উচ্চমাধ্যমিক বাংলা প্রকল্প : ক্ষেত্র সমীক্ষা। 


ভূমিকা :- 
পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের বাংলা বিষয়ের প্রকল্পকর্মগুলির মধ্যে একটি হল ক্ষেত্র সমীক্ষা। ক্ষেত্র সমীক্ষার মাধ্যমে একটি বিশেষ ও নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভৌগোলিক পরিচয় , মানুষের সাধারণ জীবনযাত্রা , প্রচলিত সংস্কৃতি , শিক্ষার পরিবেশ , স্বাস্থ্য , রুজি - রোজগার , ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতা , রাজনীতি , বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান , কৃষিজ ও শিল্পজাত উৎপাদন - ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে সম্যক ধারণালাভ করা যায়। 

বর্তমান প্রকল্পটিতে মালদা জেলার ইংরেজবাজার ব্লকের অন্তর্গত যদুপুর - ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের মহেশপুর গ্রামের ক্ষেত্র সমীক্ষা প্রস্তুত করা হয়েছে। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য :- 
যেসকল উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ক্ষেত্র - সমীক্ষা প্রকল্পকর্মটি রূপায়িত হয়েছে , সেগুলি হল - 
১. গ্রামটির ভৌগোলিক পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা অর্জন। 
২. গ্রামটির মানুষের জীবনযাত্রা , রুজি - রোজগার , সাংস্কৃতিক পরিবেশ , ধর্মবিশ্বাস , রাজনীতি , সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি - ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোকপাত করা। 
৩. গ্রামটির সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ , বিদ্যালয়ের সংখ্যা - ইত্যাদি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে গ্রামটির মানুষের শিক্ষা সচেতনতা সম্পর্কে ধারণা অর্জন করা। 
৪. গ্রামটির মানুষদের জীবনযাত্রার বিভিন্ন খুঁটিনাটি দিকের সঙ্গে পরিচিত হওয়া। 
৫. গ্রামটির সার্বিক উন্নয়নের হার তুলে ধরা। 
৬. গ্রামটির বিভিন্ন সমস্যাগুলি তুলে ধরা। 
৭. গ্রামটির ব্যক্তিবর্গের মধ্যে কুসংস্কারাচ্ছন্নতার পরিমাপ করা। 

প্রকল্পটির গুরুত্ব :- 
যেসকল কারণে সমীক্ষাপত্রটি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে , সেগুলি হল - 
১. সমীক্ষাপত্রটির মাধ্যমে গ্রামটির ভৌগোলিক পরিবেশ , সামাজিক পরিবেশ - শিক্ষা , স্বাস্থ্য , জীবিকা , ধর্মবিশ্বাস , উৎপাদন পদ্ধতি ও উৎপাদিত ফসল - ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানা সম্ভব। 
২. সমীক্ষাপত্রটির মাধ্যমে গ্রামটির জীবনধারণের বিভিন্ন সুযোগ - সুবিধা কতটা বর্তমান এবং গ্রামটিতে প্রচলিত সমস্যা সম্পর্কে জানা সম্ভব। 
৩. এই সমীক্ষাপত্রটির মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি গ্রাম সম্পর্কেই জানা যাবে - এমনটা নয় ; একটি গ্রাম থেকে প্রাপ্ত তথ্যের মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো ও পরিবেশকে জানতে সমীক্ষাপত্রটি বিশেষভাবে কার্যকরী হতে পারে। 

কর্মপরিকল্পনা / পদ্ধতিগত দিক :- 

সমীক্ষাপত্রটি নির্মাণ করতে যেসকল পদ্ধতি ও পরিকল্পনার নীতি অনুসৃত হয়েছে - সেগুলি হল - 

>> বিদ্যালয়ের বাংলা বিষয়ের মাননীয় শিক্ষক X মহাশয় / মাননীয়া শিক্ষিকা X মহাশয়া কর্তৃক বাংলা বিষয়ে প্রকল্পের জন্য বিষয়বস্তু নির্বাচন। 

>> বিষয়বস্তু নির্বাচনের পর মাননীয় শিক্ষক মহাশয় / মাননীয়া শিক্ষিকা মহাশয়া সমীক্ষাপত্রটি নির্মাণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদ্ধতিগত দিকের উপর আলোকপাত করেন। 

>> মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকার নির্দেশমত সমীক্ষাপত্রটি সাফল্যের সঙ্গে রূপায়িত করতে এবং গ্রামটিকে বিশেষভাবে জানার জন্য কিছু প্রশ্ন ও জানার বিষয়গুলি নির্দিষ্টকরণ করা হল। 

>> নির্দিষ্ট গ্রামটিতে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হল। 

>> সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে একটি খসড়া প্রতিবেদন রচনা করে সেটি মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকার নিকট উপস্থাপন করা হয় এবং তিনি প্রয়োজনীয় সংশোধনের নির্দেশ প্রদান করেন। 

>> মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকার নির্দেশমত প্রয়োজনীয় সংশোধনের পর পুনরায় প্রকল্পটি প্রস্তুত করা হয়। 

>> প্রয়োজনীয় চিত্র সংগ্রহ করে সেগুলি প্রতিবেদনে সংযোজিত করা হয়। 

>> পূর্ণাঙ্গ প্রকল্পটি বিদ্যালয়ে জমা দেওয়া হয়।  

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

তথ্য সংগ্রহ / পরীক্ষামূলক উপাদান :- 

সমীক্ষাপত্র :- 

গ্রাম পরিচিতি :- 

গ্রামের নাম : মহেশপুর। 

ব্লক : ইংরেজবাজার। 

জেলা : মালদা। 

মোট জনসংখ্যা : ৫০০০ 

নারী - পুরুষের অনুপাত : ৯৪০ : ১০০০ 

শিক্ষা :- 

শিক্ষার হার : ৭৮ % 

পুরুষদের শিক্ষার হার : ৮২%  

নারীশিক্ষার হার : ৭৪% 

গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা : ১ টি। 

গ্রামে বেসরকারি প্রাক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা : ১ টি। 

গ্রামে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা : ০ 

গ্রামে উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা : ০ 

গ্রামে মহাবিদ্যালয়ের সংখ্যা : ০ 

গ্রামে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সংখ্যা : ২ টি। 

বিদ্যালয়ের পরিবেশ :- 

বিদ্যালয়ে ছায়া প্রদানকারী গাছপালা আছে কি'না : আছে। 

বিদ্যালয়ে শৌচালয় আছে কি'না : আছে। 

বিদ্যালয়ে সকল ঋতুতে ব্যাবহারযোগ্য শ্রেণিকক্ষ আছে কি'না : আছে। 

বিদ্যালয়ের আশেপাশে যানবাহন চলাচলের মাত্রা : মাঝারি। 

বিদ্যালয়ের চারপাশের রাস্তা : আংশিক পাকা। 

বিদ্যালয়ের নিজস্ব খেলার মাঠ : আছে। 

বিদ্যালয়ের কাছাকাছি কোনো চিকিৎসাকেন্দ্র : নেই। 

বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় কি'না : হয়। 

বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ : নেই। 

বিদ্যালয়ে ইকো ক্লাব : আছে। 

বিদ্যালয়ের আশেপাশে অন্য কোনো বিদ্যালয় : নেই। 

বিদ্যালয়ে সাহিত্যসভার আয়োজন : হয়না। 

বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান প্রদর্শনী : হয়না। 

স্বাস্থ্য :- 

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সংখ্যা : ১ টি। 

পোলিও ও অন্যান্য টীকাকরণ কর্মসূচি নিয়মিত পালিত হয় কি'না : হয়। 

পঞ্চায়েতের তরফে বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে সচেতনতা শিবির পরিচালিত হয় কি'না : হয়। 

পঞ্চায়েতের তরফে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কর্মসূচি পালিত হয় কি'না : হয়। 

পানীয় জল :- 

পানীয় জলের উৎস : কূপ , নলকূপ ও পঞ্চায়েত কর্তৃক টাইম কলের জল। 

কূপের সংখ্যা : ৫ টি। 

নলকূপের সংখ্যা : প্রায় ৫০ টি। 

প্রাকৃতিক সম্পদ :- 

গ্রামটির সঙ্গে নদীর যোগাযোগ আছে কি'না : হ্যাঁ , আছে ; মহানন্দা। 

পুকুরের সংখ্যা : ৩ টি। 

জলাভূমি : নেই। 

সর্বসাধারণের জন্য পশুচারণের জমি : আছে। 

বনভূমি : আছে , মোট এলাকার প্রায় ৩৫ শতাংশ। 

কৃষিজমি : মোট এলাকার প্রায় ৫০ শতাংশ। 

খেলার মাঠ : আছে , ২ টি।  

মানব সম্পদ :- 

হিন্দু : ৮০% 

মুসলিম : ১৭% 

অন্যান্য : ৩% 

কৃষিজীবী : প্রায় ৭৫% 

শ্রমিক ও মজুর : ১০% 

সরকারি চাকুরে : ৪% 

বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত : ৪% 

ছোট ব্যবসায়ী , দোকানদার : ৪% 

নিজস্ব উদ্যোগ : ৩% 

কাঁচাবাড়ি : ৫০% 

আংশিক কাঁচাবাড়ি : ২০% 

সম্পূর্ণ পাকাবাড়ি : ৩০% 

শৌচালয় : ৮০% বাড়িতে শৌচালয় আছে। এছাড়া পঞ্চায়েতের দ্বারা নির্মিত সর্বসাধারণের জন্য শৌচালয়ের সংখ্যা ২ টি। 

পঞ্চায়েত পরিসেবা :- 

নিকাশি ব্যবস্থা : মোটামুটি। 

জলসেচ : উন্নত। 

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা : নিম্নমানের। 

বিদ্যুৎ সংযোগ : ১০০% গৃহে বিদ্যুতের সংযোগ আছে। 

রাস্তায় আলোর ব্যবস্থা : নেই। 

বেকারদের প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা : আছে।  

উৎসব - অনুষ্ঠান ও সংস্কৃতি ও খেলাধুলা :- 

প্রধান উৎসব : দুর্গাপূজা ও ইদ। 

মেলার সংখ্যা : ২ টি। বছরে ২ বার। 

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান : স্বাধীনতা দিবস পালন , রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন , হস্তশিল্প মেলা , বিজয়া দশমীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান - ইত্যাদি। 

প্রচলিত খেলাধুলা : ক্রিকেট , ফুটবল , ভলিবল - ইত্যাদি। 

[ এছাড়াও যারা আরো বেশি তথ্য উপস্থাপন করতে চাও তারা পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ কর্তৃক প্রকাশিত '' বাংলা ভাষা ও শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির ইতিহাস ( দ্বাদশ শ্রেণি ) '' বইয়ের প্রথম প্রকল্পটি দেখতে পারো ; পৃষ্ঠা ১৪৬ ] 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

তথ্য বিশ্লেষণ :- 
মালদা জেলার ইংরেজবাজার ব্লকের অন্তর্গত যদুপুর -২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের মহেশপুর গ্রাম সম্পর্কে সমীক্ষাপত্রটি নির্মিত হয়েছে। সংগৃহিত উপরোক্ত তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামটি সম্পর্কে নিম্নলিখিত আলোচনা উপস্থাপন করা হল।   
A. গ্রামটির জনসংখ্যা বহুলতার দিকে হলেও গ্রামটিতে পুরুষের তুলনায় নারীর আনুপাতিক হার কম। 
B. শিক্ষাক্ষেত্রে সার্বিক সাক্ষরতার হার উল্লেখযোগ্য হলেও সর্বজনীন সাক্ষরতার নিশ্চয়তা এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। 
C. গ্রামটিতে নারীশিক্ষা সম্পর্কে কোনো সমস্যা নেই। তবে খুব কম সংখ্যক মেয়েরাই বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে পড়াশোনা করেছে বা করছে। 
D. গ্রামটিতে কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই। এটি মাধ্যমিক শিক্ষার প্রসারের ক্ষেত্রে একটি বড় অন্তরায়। তবে মাধ্যমিক পার্শ্ববর্তি গ্রামেই রয়েছে এবং সেখানেই এই গ্রামের শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনা করে। 
E. স্বাস্থ্য বিষয়ক ক্ষেত্রে গ্রামটি উন্নত। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্ত কর্মসূচিই গ্রামটিতে পালিত হয়। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর ও পঞ্চায়েতের উদ্যোগে বিভিন্ন টীকাকরণ কর্মসূচি ও স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচীগুলি পালিত হয়। 
F. পানীয় জলের ক্ষেত্রে গ্রামটিতে মিশ্র চিত্র চোখে পড়ে। পানীয় জলের ক্ষেত্রে গ্রামবাসীরা কূপ , নলকূপ ও পঞ্চায়েত কর্তৃক প্রদত্ত টাইমে কলের জল একমাত্র ভরসা। তবে গ্রামটিতে আর্সেনিকমুক্ত জলের কোনো ব্যবস্থা নেই। 
G. গ্রামটি প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ। নদী , পুকুর , কৃষিজমি , বনভূমি - ইত্যাদি সকলই গ্রামটিতে রয়েছে। বনভূমি বলতে মূলতঃ উদ্যানপালনের কথা বলা যায়। আম , লিচু , কলা , কাঁঠাল - এগুলির মধ্যে প্রধান। 
H. গ্রামে দুটি বড় আকৃতির খেলার মাঠ থাকার জন্য শিশু ও কিশোরদের খেলাধুলা বিষয়ে কোনো সমস্যা নেই এবং গ্রামটিতে প্রতিনিয়ত ক্রিকেট , ফুটবল - ইত্যাদি খেলার চল আছে। 
I. গ্রামটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ হিন্দু হলেও বহুসংখ্যক মুসলিম পরিবারও বসবাস করেন এবং গ্রামটিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ সম্পূর্ণরূপে বজায় আছে। 
J. গ্রামটিতে বেশিরভাগ মানুষ , প্রায় তিন - চতুর্থাংশ , কৃষিজীবী। এদের মধ্যে বহু মানুষের নিজেদের জমি নেই , তারা অপরের জমিতে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। 
K. গ্রামটিতে প্রায় ১০% মানুষ দারিদ্রসীমার নীচে বসবাস করেন। এরা মূলতঃ অপরের জমিতে কাজ করেন বা শ্রমিকের কাজ করেন। কিন্তু সারা বছর হাতে কাজ না থাকায় তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নত হয়না। 
L. তবে যাদের নিজেদের কৃষিজমি আছে , যাঁরা নিজ উদ্যোগে হস্তশিল্প বা কুটির শিল্প স্থাপন করেছেন , যারা বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং যারা চাকুরীজীবি - তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা স্বচ্ছল। 
M. গ্রামটিতে পঞ্চায়েত পরিসেবার মিশ্র চিত্র দেখা যায়। জলসেচ ব্যবস্থা খুব উন্নতমানের হলেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দিক দিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ। 
N. গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলেও সন্ধ্যার পর রাস্তায় আলোর কোনো ব্যবস্থা পঞ্চায়েত থেকে করা হয়নি। ফলে সন্ধ্যার পর গ্রামের মানুষের চলাফেরার ক্ষেত্রে বিশেষ অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। 
O. তবে বেকারদের জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের জন্য গ্রামের বেকার যুবক - যুবতীদের সচেতন ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাম পঞ্চায়েতটি এগিয়ে আছে। বিভিন্ন হস্তশিল্প , খাদ্য - প্রক্রিয়াকরণ - ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। 
P. সন্তানসম্ভবা স্ত্রীদের জন্য এবং মায়েদের জন্য স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে সচেতন করার ব্যবস্থা রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর ও পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে করা হয়। 
Q. গ্রামের হিন্দু - মুসলিম সকল সম্প্রদায়ের মানুষেরাই গ্রামের বিভিন্ন উৎসব - অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক ক্রিয়াকর্মে অংশগ্রহণ করেন। 
R. গ্রামে প্রধান দুটি মেলা হয় যা গ্রামটির অর্থনীতির একটি মূল স্তম্ভ। এই দুটি মেলা বছরে দুবার করে অনুষ্ঠিত হয়। এই মেলাগুলিতে প্রচুর কেনাকাটা হয় ; বিশেষ করে হস্তশিল্প ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের বিভিন্ন পণ্য প্রচুর পরিমানে ক্রয় - বিক্রয় করা হয়। 
S. এছাড়াও গ্রামের মানুষ ও পঞ্চায়েতের তরফে মন্দির উন্নয়ন , রাস্তার পাশে বৃক্ষরোপন - ইত্যাদি কর্মকান্ডের ব্যবস্থা করা হয়। 
T. গ্রামে মোট দুটি বড় ক্লাব রয়েছে। এই ক্লাবের তরফে প্রতি বছর বিভিন্ন খেলার আয়োজন , সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান , বৃক্ষরোপন , নাটক - অভিনয় - ইত্যাদির আয়োজন করা হয়। 

উপসংহার :- 
উক্ত সমীক্ষাপত্রটির মাধ্যমে গ্রামটি সম্পর্কে বিস্তারিত চিত্র পাওয়া যায়। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায় গ্রামটি বর্ধিষ্ণু এবং দু - একটি ক্ষেত্র বাদ দিলে গ্রামটি উন্নত। বিশেষ করে শিক্ষা , সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি , শিশু ও নারী স্বাস্থ্য , কর্মসংস্থান বিষয়ে প্রশিক্ষণ - ইত্যাদি ক্ষেত্রে গ্রামটি কৃতিত্বের দাবী রাখে। 

সীমাবদ্ধতা :- 
সমীক্ষাপত্রটি রূপায়নকালে এবং রূপায়িত হওয়ার পর যেসকল ত্রুটি - বিচ্যুতি ও সীমাবদ্ধতা দৃষ্টিগোচর হয়েছে - সেগুলি হল - 
১. সমীক্ষাপত্রটি রূপায়নকালে মাত্র ৫০ জন গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। সমীক্ষাপত্রটি আরো গ্রহণযোগ্য করে তুলতে আরো বেশি সংখ্যক মানুষের সঙ্গে কথা বলা উচিত ছিল। 
২. সমীক্ষাপত্র রচনার সংক্ষিপ্ত পরিসরে একটি গ্রাম সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পরিবেশন ও তা বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়নি। 
৩. গ্রামবাসী কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য থেকেই সমীক্ষাপত্রটি রচিত হয়েছে। যদি সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিবর্গ কোনো ভুল তথ্য প্রদান করে থাকেন , সেক্ষেত্রে সমীক্ষাপত্রটিও সেই দোষে দুষ্ট হতে বাধ্য। 

গ্রন্থপঞ্জি :- 
সমীক্ষাপত্রটি রচনা করা হয়েছে গ্রামের মানুষের সঙ্গে কথা বলে এবং গ্রামটিকে পর্যবেক্ষণ করে। তবে সমীক্ষাপত্র নির্মাণের জন্য ধারণালাভের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ কর্তৃক প্রকাশিত '' বাংলা ভাষা ও শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির ইতিহাস ( দ্বাদশ শ্রেণি ) '' বিশেষভাবে সহায়ক হয়েছে।   

[ এখানে একটি নমুনা সমীক্ষাপত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পের কাজের জন্য যারা সমীক্ষাপত্র নির্মাণ করতে চাও - তারা এই প্রকল্পটির সাহায্যে গ্রামের নাম ও অন্যান্য তথ্যের পরিবর্তন করে খুব সহজেই সমীক্ষাপত্র রচনা করতে পারো। ]     

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

Test Papers এর উত্তর পেতে এখানে CLICK করো। 

অধ্যায়ভিত্তিক MCQ ও SAQ - CLICK HERE 


Share
Tweet
Pin
Share
No comments

উচ্চমাধ্যমিক সংস্কৃত প্রকল্প : সংস্কৃত মনীষায় বিজ্ঞান চেতনা : বরাহমিহির। 



সংস্কৃত মনীষায় বিজ্ঞান চেতনা : বরাহমিহির। 


ভূমিকা :- 
কোনো কোনো ইংরেজ ঐতিহাসিক এবং এবং তাদের শিক্ষায় শিক্ষিত কিছু ভারতীয় পন্ডিত বলেন - ভারতীয়রা স্বভাবত ভাবপ্রবণ ও বাস্তববিমুখ। তাই সাহিত্য , দর্শন , শিল্প , সমাজবিদ্যা , স্মৃতিশাস্ত্র , ধর্মশাস্ত্র - ইত্যাদি বিষয়ে ভারতীয়দের অগাধ পান্ডিত্য ও অসাধারণ অবদান থাকলেও বিশুদ্ধ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যায় ভারতীয়দের অবদান নগন্য। কিন্তু ভারতীয়দের সম্পর্কে এই অভিযোগ সর্বৈব ভিত্তিহীন। আধুনিক গবেষণায় জানা গেছে , প্রাচীন যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যায় ভারতীয়রা উন্নতির চরম শিখরে আরোহন করেছিল। যেসকল ব্যক্তিবর্গ ভারতীয় বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম বরাহমিহির। 

বর্তমান প্রকল্পটিতে বরাহমিহিরের জীবন সম্পর্কে , তাঁর বিজ্ঞান চর্চা সম্পর্কে , আবিষ্কৃত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব সম্পর্কে ও ভারতীয় বিজ্ঞানচর্চায় তাঁর অবদান সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য :- 
যেসকল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রকল্পটি রূপায়ণ করা হয়েছে সেগুলি হল - 
১. বরাহমিহিরের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানা। 
২. ভারতীয় গণিত শাস্ত্রে বরাহমিহিরের অবদান আলোচনা করা। 
৩. ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বরাহমিহিরের অবদান সম্পর্কে আলোচনা করা। 
৪. আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ও গণিতচর্চা বরাহমিহির কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত নীতির দ্বারা কতটা প্রভাবিত হয়েছে - সে সম্পর্কে আলোচনা করা। 
৫. বরাহমিহিরের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন সম্পর্কে জানা। 

প্রকল্পের গুরুত্ব :- 
যেসকল কারণে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে সেগুলি হল - 
১. প্রকল্পটির মাধ্যমে প্রাচীন ভারতীয় বিজ্ঞান চর্চার উৎকর্ষতা সম্পর্কে ধারণা অর্জন সম্ভব। 
২. প্রকল্পটির মাধ্যমে বরাহমিহির ও তাঁর বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারা সম্পর্কে জানা সম্ভব। 
৩. প্রকল্পটিতে বরাহমিহিরের বৈজ্ঞানিক ও গাণিতিক উদ্ভাবনগুলি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। তাই এই বিষয়ে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ। 
৪. পাশ্চাত্য জ্ঞান - বিজ্ঞান চর্চা ও আধুনিক ভারতীয় জ্ঞান - বিজ্ঞানের চর্চা বরাহমিহিরের বৈজ্ঞানিক নীতির দ্বারা কতটা প্রভাবিত হয়েছে - সে সম্পর্কে জানতে প্রকল্পটি কার্যকরি। 
৫. সর্বোপরি প্রকল্পটির মাধ্যমে প্রাচীন ভারতীয় বিজ্ঞান চর্চা ও বরাহমিহির সম্পর্কে শিক্ষার্থিদের কৌতূহলী করে তোলা সম্ভব। 
 
 কর্মপরিকল্পনা / পদ্ধতিগত দিক :- 

প্রকল্পটি নির্মাণ করতে যেসকল পদ্ধতি ও পরিকল্পনা অনুসরণ করা হয়েছে সেগুলি হল -   

>> বিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিষয়ের মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকা X মহাশয় / মহাশয়া কর্তৃক প্রকল্পের বিষয়বস্তু নির্বাচন। 

>> বিষয় নির্বাচনের পর মাননীয় শিক্ষক মহাশয় / মাননীয়া শিক্ষিকা মহাশয়া - প্রকল্প রূপায়ণের জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতিগত দিকগুলি সম্পর্কে আলোকপাত করেন। 

>> মাননীয় শিক্ষক মহাশয় / মাননীয়া শিক্ষিকা মহাশয়া - র নির্দেশমত বিভিন্ন গ্রন্থ পাঠ করে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। 

>> সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে একটি খসড়া প্রতিবেদন রচনা করে সেটি মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকার নিকট উপস্থাপন করা হয় এবং তিনি প্রয়োজনীয় সংশোধনের নির্দেশ প্রদান করেন। 

>> মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকার নির্দেশমত প্রয়োজনীয় সংশোধনের পর পুনরায় প্রকল্পটি প্রস্তুত করা হয়। 

>> প্রয়োজনীয় চিত্র সংগ্রহ করে সেগুলি প্রতিবেদনে সংযোজিত করা হয়। 

>> পূর্ণাঙ্গ প্রকল্পটি বিদ্যালয়ে জমা দেওয়া হয়। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

তথ্য সংগ্রহ / পরীক্ষামূলক উপাদান :- 

[ এখানে যেকোনো নোট বই থেকে বরাহমিহির সম্পর্কে যতটা ইচ্ছা লিখতে হবে। ] 

তথ্য - বিশ্লেষণ / প্রকল্পের ব্যাখ্যা :- 

(i) ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাসে আর্যভট্টের পরেই বরাহমিহিরের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

(ii) বরাহমিহির জ্যোতিষশাস্ত্রের তিনটি শাখাতেই পন্ডিত ছিলেন। 

(iii) ফলিত জ্যোতিষ সম্পর্কে বরাহমিহিরের দুটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হল - বৃহজ্জাতক ও লঘুজাতক। 

(iv) গণিত - জ্যোতিষের ক্ষেত্রে বরাহমিহিরের পাঁচটি গ্রন্থ অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। এগুলিকে একত্রে বলে পঞ্চসিদ্ধান্তিকা। অত্যন্ত উচ্চমানের বিশেষ রচনাকেই 'সিদ্ধান্ত' বলে অভিহিত করা হত। এই সিদ্ধান্তগুলির নাম হল - পৈতামহ সিদ্ধান্ত , বশিষ্ঠসিদ্ধান্ত , সৌর বা সূর্যসিদ্ধান্ত , রোমক সিদ্ধান্ত , পৌলিশ সিদ্ধান্ত। 

(v) অবশ্য সিদ্ধান্তগুলি বরাহমিহিরের মৌলিক নয় , এগুলি উৎকৃষ্ট সংকলনমাত্র। 

(vi) সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে রোমকসিদ্ধান্ত হল মূলতঃ পাশ্চাত্য জ্যোতিষের সারসংকলন। 

(vii) পৈতামহ সিদ্ধান্ততে ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানের মূল নির্যাস সন্নিহিত আছে। 

(viii) বশিষ্ঠ সিদ্ধান্ততে চন্দ্র ও সূর্যের অবস্থান নির্ণয় এবং দিবারাত্রির পরিমান নির্ণয়ের সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি আলোচিত হয়েছে। 

(ix) সৌরসিদ্ধান্তে সৌর বৎসর সংক্রান্ত আলোচনা সংকলিত হয়েছে। 

(x) বেদাঙ্গ জ্যোতিষের কালে ফলিত জ্যোতিষের কোনো পৃথক অস্তিত্ব ছিল না। গণিতশাস্ত্র জ্যোতিষের সাথে সন্নিবিষ্ট ছিল। কেবলমাত্র বরাহমিহিরের গ্রন্থেই ফলিত জ্যোতিষের অস্তিত্ব বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়। 

(xi) বরাহমিহির ভারতীয় জ্যোতিষচর্চা ও কোষ্ঠিগণনার পদ্ধতিকে প্রভাবিত করেছিলেন সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। 

(xii) সর্বোপরি একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্র ও জ্যোতির্বিজ্ঞানকে বিশ্বের দরবারে বরাহমিহির অতি উচ্চাসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। 

উপসংহার :- 
ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানকে যাঁরা বিশ্বের দরবারে গৌরবের আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন - তাঁদের মধ্যে বরাহমিহির অন্যতম। তিনি ভারতীয় গণিত ও জ্যোতিষশাস্ত্রে তাঁর অবদানের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। জ্যোতিষচর্চা ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিষয়গুলিকে সুবিন্যস্ত আকারে উপস্থাপনের মধ্যে দিয়ে উক্ত বিষয়ের বাস্তব ও বিজ্ঞানসম্মত পন্থা অবলম্বন করেছিলেন। আধুনিক বিজ্ঞানচর্চার বহুযুগ আগে ভারতীয় মনীষীদের এইরূপ উন্নত ও নির্ভুল পরিমাপ দেখলে আশ্চার্যান্বিত হতে হয়।      

সীমাবদ্ধতা :- 
প্রকল্পটি রূপায়নকালে এবং রূপায়িত হওয়ার পর যেসকল ত্রুটি - বিচ্যুতি ও সীমাবদ্ধতা দৃষ্টিগোচর হয়েছে - সেগুলি হল - 
১. বিভিন্ন পাঠ্যবই , সহায়ক গ্রন্থ - ইত্যাদিতে বরাহমিহির সম্পর্কে তথ্য খুবই সীমিত আকারে দেওয়া আছে। বরাহমিহির প্রাথমিক জীবন , কয়েকটি গ্রন্থ ও বরাহমিহির কর্তৃক আবিষ্কৃত কয়েকটি সূত্র ছাড়া বরাহমিহির সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়না। তাই প্রকল্পের জন্য তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিশেষ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। 
২. বরাহমিহির কর্তৃক রচিত গ্রন্থগুলির বিস্তারিত বিবরণ প্রকল্পটিতে অনুপস্থিত। 

গ্রন্থপঞ্জি / তথ্য সূত্র :- 
যেসকল গ্রন্থগুলি থেকে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে - সেগুলি হল - 
১. সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস - ধীরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। 
২. প্রাচীন ভারতের সংস্কৃত সাহিত্য - ডক্টর উদয়চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। 
৩. সংস্কৃত সাহিত্য কা ইতিহাস - বাচস্পতি গৈরালা।  

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

Test Papers এর উত্তর পেতে এখানে CLICK করো। 

অধ্যায়ভিত্তিক MCQ ও SAQ - CLICK HERE   


Share
Tweet
Pin
Share
No comments

উচ্চমাধ্যমিক সংস্কৃত প্রকল্প : সংস্কৃত মনীষায় বিজ্ঞান চেতনা : আর্যভট্ট। 




সংস্কৃত মনীষায় বিজ্ঞান চেতনা : আর্যভট্ট। 


ভূমিকা :- 
কোনো কোনো ইংরেজ ঐতিহাসিক এবং এবং তাদের শিক্ষায় শিক্ষিত কিছু ভারতীয় পন্ডিত বলেন - ভারতীয়রা স্বভাবত ভাবপ্রবণ ও বাস্তববিমুখ। তাই সাহিত্য , দর্শন , শিল্প , সমাজবিদ্যা , স্মৃতিশাস্ত্র , ধর্মশাস্ত্র - ইত্যাদি বিষয়ে ভারতীয়দের অগাধ পান্ডিত্য ও অসাধারণ অবদান থাকলেও বিশুদ্ধ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যায় ভারতীয়দের অবদান নগন্য। কিন্তু ভারতীয়দের সম্পর্কে এই অভিযোগ সর্বৈব ভিত্তিহীন। আধুনিক গবেষণায় জানা গেছে , প্রাচীন যুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যায় ভারতীয়রা উন্নতির চরম শিখরে আরোহন করেছিল। যেসকল ব্যক্তিবর্গ ভারতীয় বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম আর্যভট্ট। 

বর্তমান প্রকল্পটিতে আর্যভট্টের জীবন সম্পর্কে , তাঁর বিজ্ঞান চর্চা সম্পর্কে , আবিষ্কৃত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব সম্পর্কে ও ভারতীয় বিজ্ঞানচর্চায় তাঁর অবদান সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য :- 
যেসকল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রকল্পটি রূপায়ণ করা হয়েছে সেগুলি হল - 
১. আর্যভট্টের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানা। 
২. ভারতীয় গণিত শাস্ত্রে আর্যভট্টের অবদান আলোচনা করা। 
৩. ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আর্যভট্টের অবদান সম্পর্কে আলোচনা করা। 
৪. আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ও গণিতচর্চা আর্যভট্ট কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত নীতির দ্বারা কতটা প্রভাবিত হয়েছে - সে সম্পর্কে আলোচনা করা। 
৫. আর্যভট্টের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন সম্পর্কে জানা। 

প্রকল্পের গুরুত্ব :- 
যেসকল কারণে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে সেগুলি হল - 
১. প্রকল্পটির মাধ্যমে প্রাচীন ভারতীয় বিজ্ঞান চর্চার উৎকর্ষতা সম্পর্কে ধারণা অর্জন সম্ভব। 
২. প্রকল্পটির মাধ্যমে আর্যভট্ট ও তাঁর বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারা সম্পর্কে জানা সম্ভব। 
৩. প্রকল্পটিতে আর্যভট্টের বৈজ্ঞানিক ও গাণিতিক উদ্ভাবনগুলি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। তাই এই বিষয়ে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ। 
৪. পাশ্চাত্য জ্ঞান - বিজ্ঞান চর্চা ও আধুনিক ভারতীয় জ্ঞান - বিজ্ঞানের চর্চা আর্যভট্টের বৈজ্ঞানিক নীতির দ্বারা কতটা প্রভাবিত হয়েছে - সে সম্পর্কে জানতে প্রকল্পটি কার্যকরি। 
৫. সর্বোপরি প্রকল্পটির মাধ্যমে প্রাচীন ভারতীয় বিজ্ঞান চর্চা ও আর্যভট্ট সম্পর্কে শিক্ষার্থিদের কৌতূহলী করে তোলা সম্ভব। 
 
 কর্মপরিকল্পনা / পদ্ধতিগত দিক :- 

প্রকল্পটি নির্মাণ করতে যেসকল পদ্ধতি ও পরিকল্পনা অনুসরণ করা হয়েছে সেগুলি হল -   

>> বিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিষয়ের মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকা X মহাশয় / মহাশয়া কর্তৃক প্রকল্পের বিষয়বস্তু নির্বাচন। 

>> বিষয় নির্বাচনের পর মাননীয় শিক্ষক মহাশয় / মাননীয়া শিক্ষিকা মহাশয়া - প্রকল্প রূপায়ণের জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতিগত দিকগুলি সম্পর্কে আলোকপাত করেন। 

>> মাননীয় শিক্ষক মহাশয় / মাননীয়া শিক্ষিকা মহাশয়া - র নির্দেশমত বিভিন্ন গ্রন্থ পাঠ করে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। 

>> সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে একটি খসড়া প্রতিবেদন রচনা করে সেটি মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকার নিকট উপস্থাপন করা হয় এবং তিনি প্রয়োজনীয় সংশোধনের নির্দেশ প্রদান করেন। 

>> মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকার নির্দেশমত প্রয়োজনীয় সংশোধনের পর পুনরায় প্রকল্পটি প্রস্তুত করা হয়। 

>> প্রয়োজনীয় চিত্র সংগ্রহ করে সেগুলি প্রতিবেদনে সংযোজিত করা হয়। 

>> পূর্ণাঙ্গ প্রকল্পটি বিদ্যালয়ে জমা দেওয়া হয়। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

তথ্য সংগ্রহ / পরীক্ষামূলক উপাদান :- 

[ এখানে যেকোনো নোট বই থেকে আর্যভট্ট সম্পর্কে যতটা ইচ্ছা লিখতে হবে। ] 

তথ্য - বিশ্লেষণ / প্রকল্পের ব্যাখ্যা :- 

(i) আর্যভট্টই প্রথম ভারতীয় ব্যক্তি যিনি ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানকে বিশ্বের দরবারে গৌরবের আসনে অধিষ্ঠিত করেন। 

(ii) আর্যভট্ট বিবিধ গাণিতিক সূত্র ও পদ্ধতির উদ্ভাবক। যেমন - বর্গমূল , ঘনমূল , সমান্তর শ্রেণী , যোগফল , দ্বিঘাত সমীকরণ - ইত্যাদি। 

(iii) সৌরজগৎ সম্পর্কে আর্যভট্টের ধারণা বৈজ্ঞানিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত। তিনিই প্রথম মহাবিশ্বের অবস্থান সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সঠিক ধারণা প্রদান করেন। 

(iv) পৃথিবীর দুটি গতি যথা - আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতি সম্পর্কে আর্যভট্ট তাঁর বৈজ্ঞানিক অভিমত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন - যা আজ আধুনিক বিজ্ঞানের দ্বারা স্বীকৃত। 

(v) আর্যভট্টের বৈজ্ঞানিক কর্মকান্ড থেকে স্পষ্টরূপে বলা যায় , ভারতীয়রা উচ্চমার্গের আধ্যাত্মিক চেতনার সঙ্গে সঙ্গে উৎকৃষ্ট জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রেও বিশ্বকে পথ দেখিয়েছে। 
(vi) আর্যভট্ট কর্তৃক রচিত আর্যভট্টিয় , আর্যাষ্টশতক , দশগীতিকাসুত্র - ইত্যাদি গ্রন্থগুলি ভারতীয় জ্যোতিষ ও গণিতশাস্ত্রের ক্ষেত্রে অমূল্য সম্পদ। প্রাচীন ভারতীয় জ্ঞান - বিজ্ঞান চর্চা যে কতটা উন্নত ছিল - তা এই গ্রন্থগুলি থেকে সহজেই অনুমান করা যায়। 

(vii) অন্যান্য গাণিতিক সূত্রের সঙ্গে অক্ষরের দ্বারা সংখ্যার প্রকাশ - আর্যভট্টের এক অমূল্য অবদান। এছাড়াও আর্যভট্ট ত্রিকোণমিতির জ্যার্ধ ও তার মান - ইত্যাদি গাণিতিক সূত্র আবিষ্কারের জন্য আর্যভট্ট চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। 

(viii) আর্যভট্ট কর্তৃক রচিত আর্যাষ্টশতক গ্রন্থে সময়গণনার বিজ্ঞানসম্মত ও অত্যাধুনিক তত্ত্বের পরিচয় পাওয়া যায়। সময়গণনার ক্ষেত্রে আর্যভট্টই সর্বপ্রথম বাস্তবসম্মত গণিতের প্রয়োগ করেন। 

(ix) আর্যভট্ট কর্তৃক রচিত দশগীতিকাসুত্র গ্রন্থে মহাকাশের রহস্য সম্পর্কে যাবতীয় বর্ণনা পাওয়া যায়। এতে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনের পথ , রবিমার্গ - ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ভারতে তথা সমগ্র পৃথিবীতে মহাকাশ বিজ্ঞান সম্পর্কে এটি বিজ্ঞানসম্মত ও গ্রহণযোগ্য গ্রন্থ। যা মহাকাশ বিজ্ঞান সম্পর্কে এক নতুন পথনির্দেশ প্রদান করেছিল। 

উপসংহার :- 
ভারতে বিজ্ঞানসম্মত জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রতিষ্টাতা ছিলেন আর্যভট্ট। গণিত শাস্ত্রের ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখার উপযুক্ত। এই সকল কারণে আর্যভট্টকে গুপ্তযুগের নিউটন আখ্যা দেওয়া হয়। বিশ্বের দরবারে ভারতীয় জ্ঞান - বিজ্ঞান , গণিত ও জ্যোতিষ শাস্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে আর্যভট্ট ছিলেন প্রাণপুরুষ। 

সীমাবদ্ধতা :- 
প্রকল্পটি রূপায়নকালে এবং রূপায়িত হওয়ার পর যেসকল ত্রুটি - বিচ্যুতি ও সীমাবদ্ধতা দৃষ্টিগোচর হয়েছে - সেগুলি হল - 
১. বিভিন্ন পাঠ্যবই , সহায়ক গ্রন্থ - ইত্যাদিতে আর্যভট্ট সম্পর্কে তথ্য খুবই সীমিত আকারে দেওয়া আছে। আর্যভট্টের প্রাথমিক জীবন , কয়েকটি গ্রন্থ ও আর্যভট্ট কর্তৃক আবিষ্কৃত কয়েকটি সূত্র ছাড়া আর্যভট্ট সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়না। তাই প্রকল্পের জন্য তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিশেষ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। 
২. আর্যভট্ট কর্তৃক রচিত গ্রন্থগুলির বিস্তারিত বিবরণ প্রকল্পটিতে অনুপস্থিত। 

গ্রন্থপঞ্জি / তথ্য সূত্র :- 
যেসকল গ্রন্থগুলি থেকে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে - সেগুলি হল - 
১. সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস - ধীরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। 
২. প্রাচীন ভারতের সংস্কৃত সাহিত্য - ডক্টর উদয়চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। 
৩. সংস্কৃত সাহিত্য কা ইতিহাস - বাচস্পতি গৈরালা।   

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

Test Papers এর উত্তর পেতে এখানে CLICK করো। 

অধ্যায়ভিত্তিক MCQ ও SAQ - CLICK HERE    
    
Share
Tweet
Pin
Share
No comments

অতীত পুনর্গঠনে জাদুঘরের অবদান । 

অতীত ইতিহাস সংরক্ষণ ও পুনর্গঠনে জাদুঘরের ভূমিকা। 

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস প্রকল্প : অতীত পুনর্গঠনে জাদুঘরের অবদান । 



অতীত পুনর্গঠনে জাদুঘরের অবদান ।  


ভূমিকা :- 
সাধারণভাবে বলা যায় , জাদুঘর হল বিভিন্ন ঐতিহাসিক উপাদানের সংগ্রহশালা , যেখানে ঐতিহাসিক , সাংস্কৃতিক , বৈজ্ঞানিক , শিল্প - বিষয়ক প্রভৃতি বিভিন্ন ধরণের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সংরক্ষণ করে এবং তা জনসাধারণের উদ্দেশ্যে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়। এক কথায় , বিভিন্ন পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন সংগ্রহ করে সেগুলি যেসব প্রতিষ্ঠান বা ভবনে সংরক্ষণ করে রাখা হয় - সেসব প্রতিষ্ঠানকে জাদুঘর বলে। 

জাদুঘর শুধুমাত্র একটি দর্শনীয় স্থান হিসাবেই বিবেচিত হয়না। অতীত সংগঠিত করার ক্ষেত্রে বা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অপরিসীম। অন্যভাবে বলা যেতে পারে , অতীত ও বর্তমানের মধ্যে জাদুঘর একটি সংযোগসূত্র হিসাবে কাজ করে। বর্তমান প্রতিবেদনমূলক প্রকল্পটিতে অতীত ইতিহাস জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে ও অতীত সংগঠিত করার প্রতিষ্ঠান হিসাবে জাদুঘরের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

প্রকল্পটির উদ্দেশ্য :- 
যেসকল উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রকল্পটি রূপায়ণ করা হয়েছে সেগুলি হল - 
১. জাদুঘর সম্পর্কে সাধারণ ধারণা অর্জন। 
২. অতীত ইতিহাস জানার ক্ষেত্রে জাদুঘরের ভূমিকা কতটা - সে সম্পর্কে জানা। 
৩. অতীত ও বর্তমানের মধ্যে যোগসূত্ররক্ষাকারী হিসাবে জাদুঘরের ভূমিকা পর্যালোচনা করা। 
৪. ইতিহাস চর্চার একটি উপাদান ও মাধ্যম হিসাবে জাদুঘরের ভূমিকা আলোচনা করা। 
৫. সর্বোপরি , জাদুঘর সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের কৌতূহলী করে তোলা। 

প্রকল্পটির গুরুত্ব :- 
যেসকল কারণে প্রতিবেদনটি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে , সেগুলি হল - 
১. প্রকল্পটির মাধ্যমে অতীতের সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে জাদুঘরের ভূমিকা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব। 
২. প্রকল্পটির মাধ্যমে জাদুঘর সম্পর্কে সাধারণ ধারণা অর্জন সম্ভব। 
৩. ইতিহাস চর্চার একটি মাধ্যম হিসাবে জাদুঘরের ভূমিকা সম্পর্কে জানা যাবে। 
৪. অতীত সমাজ ও সভ্যতার ধারণা দানে জাদুঘরের ভূমিকা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ সম্ভব। 
৫. জনসচেতনতা ও জ্ঞানের প্রসারে জাদুঘরের ভূমিকা সম্পর্কে সাধারণ ধারণা গঠন সম্ভব। 
৬. সর্বোপরি , প্রকল্পটির মাধ্যমে জাদুঘর সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সহজেই কৌতূহলী করে তোলা সম্ভব। 

কর্মপরিকল্পনা / পদ্ধতিগত দিক :- 

প্রকল্পটি নির্মাণ করতে যেসকল পদ্ধতি ও পরিকল্পনা অনুসরণ করা হয়েছে সেগুলি হল -   

>> বিদ্যালয়ের ইতিহাস বিষয়ের মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকা X মহাশয় / মহাশয়া কর্তৃক প্রকল্পের বিষয়বস্তু নির্বাচন। 

>> বিষয় নির্বাচনের পর মাননীয় শিক্ষক মহাশয় / মাননীয়া শিক্ষিকা মহাশয়া - প্রকল্প রূপায়ণের জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতিগত দিকগুলি সম্পর্কে আলোকপাত করেন। 

>> মাননীয় শিক্ষক মহাশয় / মাননীয়া শিক্ষিকা মহাশয়া - র নির্দেশমত বিভিন্ন গ্রন্থ পাঠ করে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। 

>> সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে একটি খসড়া প্রতিবেদন রচনা করে সেটি মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকার নিকট উপস্থাপন করা হয় এবং তিনি প্রয়োজনীয় সংশোধনের নির্দেশ প্রদান করেন। 

>> মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকার নির্দেশমত প্রয়োজনীয় সংশোধনের পর পুনরায় প্রকল্পটি প্রস্তুত করা হয়। 

>> প্রয়োজনীয় চিত্র সংগ্রহ করে সেগুলি প্রতিবেদনে সংযোজিত করা হয়। 

>> পূর্ণাঙ্গ প্রকল্পটি বিদ্যালয়ে জমা দেওয়া হয়। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

তথ্য সংগ্রহ / পরীক্ষামূলক উপাদান :- 

প্রকল্পটির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের ইতিহাস বিষয়ের মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকার নির্দেশমত বিভিন্ন গ্রন্থ পাঠ করে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত তথ্যগুলিকে সংক্ষিপ্ত আকারে উপস্থাপন করা হল। 

সংস্কৃতি হল একটি সমষ্টিগত আচরণ , অনুষ্ঠান , রীতিনীতি পালন , বিশ্বাস , বসবাস , ব্যবহার্য বস্তু , পোশাক , শিল্প , পেশা - ইত্যাদির ধারণ ও ব্যবহারের রূপ। একটি জাতি কতটা উন্নত - তা তার সংস্কৃতি থেকেই বোঝা যায়। 

আবার , সংস্কৃতির একটি বিশেষ উপাদান হল ইতিহাস। এটি জাতির পূর্বপুরুষদের সকল সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। আমরা ইতিহাস থেকে সে সকল বিষয় জানতে ও ধারণ করতে পারি। এর ফলেই আমাদের বংশমর্যাদা , গৌরব , প্রথা - ইত্যাদি ফুটে ওঠে। আর এই ইতিহাসকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ধারণ করে জাদুঘর। জাদুঘরেই রক্ষিত থাকে পূর্বপুরুষদের স্থাপনা , সমাজচিত্র ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। 

তাই আমাদের বর্তমান সভ্যতা ও সংস্কৃতির উৎপত্তি কীভাবে হয়েছে , বর্তমান সভ্যতার আদিরূপ কেমন ছিল , সভ্যতার বিবর্তন - তা আমরা জাদুঘরের মাধ্যমেই জানতে পারি। জাদুঘর থেকে পাওয়া এই জ্ঞান আমাদের ভবিষ্যত গতিপথকে নির্দেশনা দিতে সাহায্য করে। এইভাবে আমাদের সার্বিক বর্তমান ও ভবিষ্যতের সাংস্কৃতিক উপাদান ঐতিহ্য নিরুপনে সাহায্য করে জাদুঘর। শাসন , বিচার , সামাজিক ও রাজনৈতিক দর্শন , আদর্শ - ইত্যাদির ধারণা আমরা জাদুঘর থেকে পাই - যা আমাদের বর্তমান সভ্যতার ধারক ও বাহক হয়ে ওঠে। 

অতীত পুনর্গঠনে জাদুঘরের ভূমিকা সম্পর্কিত প্রতিবেদন রচনার জন্য তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে মূলতঃ তিন ধরনের তথ্য সংগ্রহের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। যেমন - 
(ক ) জাদুঘরের উৎপত্তি ও বিকাশ। 
(খ ) জাদুঘরের শ্রেণীভাগ। 
(গ ) জাদুঘরের কার্যাবলী। 

তথ্য বিশ্লেষণ / প্রকল্পের বর্ণনা / প্রকল্পের ব্যাখ্যা :- 

[ এই অংশে যেকোনো পাঠ্যবই বা নোটবই থেকে তিনটি টপিক লিখতে হবে -  (ক ) জাদুঘরের উৎপত্তি ও বিকাশ , (খ ) জাদুঘরের শ্রেণীভাগ ,  (গ ) জাদুঘরের কার্যাবলী। যেকোনো ইতিহাস পাঠ্যবই বা নোট বইয়ের প্রথম অধ্যায়ের শেষের দিকে পেয়ে যাবে। ] 

সিদ্ধান্তগ্রহণ / উপসংহার :- 
উপরোক্ত আলোচনা থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে , জাদুঘর হল অতীত ইতিহাস , সভ্যতা ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। জাদুঘর অতীত ঐতিহ্য ও বর্তমানের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে ও ভবিষ্যতের পথ নির্দেশ করে। তাই জাদুঘর কেবলমাত্র দর্শনীয় স্থান নয় ; এটি ইতিহাসের অন্যতম উপাদান হিসাবে বিবেচিত। তাই জাদুঘর সম্পর্কে এবং তার ভূমিকা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন প্রতিটি শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে আবশ্যিক। 

পাঠের সীমাবদ্ধতা :- 
প্রকল্পটি রূপায়নকালে এবং রূপায়িত হওয়ার পর যেসকল ত্রুটি - বিচ্যুতি ও সীমাবদ্ধতা দৃষ্টিগোচর হয়েছে - সেগুলি হল - 
(ক ) জাদুঘর সম্পর্কে আরো বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন ছিল। 
(খ ) ইতিহাসের উপাদান হিসাবে জাদুঘরের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। 
(গ ) বিভিন্ন প্রকার জাদুঘরের দৃষ্টান্তগুলি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনা করা হয়েছে। 
(ঘ ) শিক্ষার্থীদের ইতিহাস জানার পিপাসা জাদুঘর কীভাবে চরিতার্থ করে - সে সম্পর্কে প্রতিবেদনটিতে আলোচনা অনুপস্থিত। 
(ঙ ) স্থানীয় এলাকার জাদুঘরগুলির উল্লেখ প্রকল্পে নেই। 
(চ ) অতীত সংরক্ষণ ও পুনর্গঠনে জাদুঘরের ভূমিকা প্রসঙ্গে ঐতিহাসিকদের কোনো মতামত প্রকল্পটিতে লিপিবদ্ধ হয়নি। 

গ্রন্থপঞ্জি :- 
যেসকল গ্রন্থগুলি থেকে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে - সেগুলি হল - 
১. ভারত ও বিশ্বের ইতিহাস - জীবন মুখোপাধ্যায় ও ডক্টর সুভাষ বিশ্বাস। 
২. ভারতের ইতিহাস - অতুল চন্দ্র রায়। 
৩. ভারতের ইতিহাস ( স্নাতক ) - জীবন মুখোপাধ্যায়। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

Test Papers এর উত্তর পেতে এখানে CLICK করো। 

অধ্যায়ভিত্তিক MCQ ও SAQ - CLICK HERE 

    
Share
Tweet
Pin
Share
No comments

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস প্রকল্প : মার্শাল পরিকল্পনা। 

H.S. History project : মার্শাল পরিকল্পনা। 

মার্শাল পরিকল্পনা : গ্রহণের কারণ , বাস্তবায়ন ও বিশ্ব রাজনীতিতে তার প্রভাব। 



মার্শাল পরিকল্পনা। 


ভূমিকা :- 
১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসানের পর বিশ্ব রাজনীতিতে দ্বিমেরুকরণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একদিকে ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদী জোট ও অন্যদিকে ছিল সোভিয়েত রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন সাম্যবাদী জোট। পরস্পর বিরোধী এই দুই জোটের আদর্শগত ছায়াযুদ্ধ ঠান্ডা লড়াই নামে পরিচিত। মার্কিন নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদী জোটের মূল উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব ইউরোপ তথা পাশ্চাত্যের অন্যান্য দেশগুলিতে সাম্যবাদী ভাবধারার প্রসার রোধ করা। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ৫ ই জুন মার্কিন পররাষ্ট্র - সচিব জর্জ সি মার্শাল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ভাষণে বলেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আর্থিক পুনরুজ্জীবনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি এই পদক্ষেপের নাম দেন European Recovery Programme  । কিন্তু বাস্তবে জন মার্শালের মূল উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব ইউরোপের যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশগুলিতে আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে সোভিয়েত সাম্যবাদের প্রসার রোধ করা। এই পরিকল্পনাই মার্শাল পরিকল্পনা নামে পরিচিত। 

বর্তমান প্রকল্পটিতে মার্শাল পরিকল্পনার বিভিন্ন দিকগুলির উপর আলোকপাত করা হয়েছে। মার্শাল পরিকল্পনা গ্রহণের কারণ , উদ্দেশ্য , পরিকল্পনার বাস্তবায়ন এবং বিশ্ব রাজনীতিতে তার প্রভাব - এই সকল বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

প্রকল্পটির উদ্দেশ্য :- 
যেসকল উদ্দেশ্যগুলিকে সামনে রেখে প্রকল্পটি রূপায়ণ করা হয়েছে - সেগুলি হল - 
১. মার্শাল পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করা। 
২. মার্শাল পরিকল্পনা গ্রহণের কারণ , উদ্দেশ্য , পরিকল্পনার বাস্তবায়ন এবং বিশ্ব রাজনীতিতে তার প্রভাব - এই সকল বিষয়গুলি সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা অর্জন। 
৩. ঠান্ডা লড়াইয়ের একটি উপাদান হিসাবে মার্শাল পরিকল্পনার ভূমিকা পর্যালোচনা করা। 
৪. মার্শাল পরিকল্পনার আলোকে ঠান্ডা লড়াইয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন। 
৫. মার্শাল পরিকল্পনার ঘোষিত ও প্রকৃত উদ্দেশ্যগুলিকে অনুধাবন করা। 
৬. মার্শাল পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল - তা পর্যালোচনা করা। 
৭. সর্বোপরি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাস ও মার্শাল পরিকল্পনা সম্পর্কে সম্যক ধারণা অর্জনের জন্য শিক্ষর্থীদের উৎসাহিত করে তোলা। 

প্রকল্পের গুরুত্ব :- 
যেসকল কারণে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে , সেগুলি হল - 
১. প্রকল্পটির মাধ্যমে মার্শাল পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা অর্জন সম্ভব। 
২. প্রকল্পের আলোচনাতে মার্শাল পরিকল্পনা গ্রহণের কারণ , উদ্দেশ্য এবং বিশ্ব রাজনীতিতে তার প্রভাব সম্পর্কে জানতে প্রকল্পটি কার্যকরি। 
৩. ঠান্ডা লড়াইয়ের উদ্ভব ও প্রসারের ক্ষেত্রে মার্শাল পরিকল্পনা ভূমিকা পর্যালোচনার ক্ষেত্রে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ। 
৪. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মার্শাল পরিকল্পনাকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে পূর্ব ইউরোপ সাম্যবাদের প্রসার রোধ করতে চেয়েছিল - সে ইতিহাস জানতে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ। 
৫. প্রকল্পটির মাধ্যমে মার্শাল পরিকল্পনার ঘোষিত ও প্রকৃত উদ্দেশ্যগুলিকে জানা সম্ভব। 
৬. আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে মার্শাল পরিকল্পনার প্রভাব সম্পর্কে জানতে প্রকল্পটি কার্যকর। 
৭. প্রকল্পটির মাধ্যমে মার্শাল পরিকল্পনার আলোকে ঠান্ডা লড়াইয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস জানা সম্ভব। 

কর্মপরিকল্পনা / পদ্ধতিগত দিক :- 
প্রকল্পটি নির্মাণ করতে যেসকল পদ্ধতি ও পরিকল্পনা অনুসরণ করা হয়েছে সেগুলি হল -   

>> বিদ্যালয়ের ইতিহাস বিষয়ের মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকা X মহাশয় / মহাশয়া কর্তৃক প্রকল্পের বিষয়বস্তু নির্বাচন। 

>> বিষয় নির্বাচনের পর মাননীয় শিক্ষক মহাশয় / মাননীয়া শিক্ষিকা মহাশয়া - প্রকল্প রূপায়ণের জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতিগত দিকগুলি সম্পর্কে আলোকপাত করেন। 

>> মাননীয় শিক্ষক মহাশয় / মাননীয়া শিক্ষিকা মহাশয়া - র নির্দেশমত বিভিন্ন গ্রন্থ পাঠ করে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়। 

>> সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে একটি খসড়া প্রতিবেদন রচনা করে সেটি মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকার নিকট উপস্থাপন করা হয় এবং তিনি প্রয়োজনীয় সংশোধনের নির্দেশ প্রদান করেন। 

>> মাননীয় শিক্ষক / মাননীয়া শিক্ষিকার নির্দেশমত প্রয়োজনীয় সংশোধনের পর পুনরায় প্রকল্পটি প্রস্তুত করা হয়। 

>> প্রয়োজনীয় চিত্র সংগ্রহ করে সেগুলি প্রতিবেদনে সংযোজিত করা হয়। 

>> পূর্ণাঙ্গ প্রকল্পটি বিদ্যালয়ে জমা দেওয়া হয়। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

তথ্য সংগ্রহ / পরীক্ষামূলক উপাদান :- 

[ যেকোনো পাঠ্যবই বা নোট বই থেকে মার্শাল পরিকল্পনা সম্পর্কে লিখতে হবে। মার্শাল পরিকল্পনা গ্রহণের কারণ ও উদ্দেশ্য , মার্শাল পরিকল্পনার বাস্তবায়ন , ফলাফল - এই টপিকগুলো লিখতে হবে। যেকোনো পাঠ্যবই বা নোট বইয়ের সপ্তম অধ্যায়ের একেবারে প্রথম দিকেই পেয়ে যাবে। ] 

তথ্য বিশ্লেষণ :- 

উপরোক্ত তথ্যগুলিকে বিশ্লেষণ আকারে উপস্থাপন করা হল। 

(i) মার্শাল পরিকল্পনাটি গ্রহণ করেন মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব জর্জ সি মার্শাল। 

(ii) মার্শাল পরিকল্পনার ঘোষিত উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয় যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশগুলির আর্থিক পুনরুজ্জীবন ঘটানোই ছিল মার্শাল পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য। 

(iii) কিন্তু মার্শাল পরিকল্পনার প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে এই সকল দেশগুলিতে সোভিয়েত সাম্যবাদের প্রসার রোধ করা। 

(iv) মার্শাল পরিকল্পনার উদ্ভবের মূলে ছিল আদর্শগত দ্বন্দ্ব। একদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদী জোট এবং অন্যদিকে সোভিয়েত রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন সাম্যবাদী জোট। মূলতঃ পরস্পর বিরোধী এই দুই জোটের আদর্শগত দ্বন্দ্বই মার্শাল পরিকল্পনার উদ্ভবের মূল কারণ। 

(v) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে ইউরোপের দেশগুলিতে সোভিয়েত সাম্যবাদের আগ্রাসন বৃদ্ধি পেয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে কমিউনিস্ট আগ্রাসন রোধ করা প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছিল। তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মার্শাল পরিকল্পনা গ্রহণ করে বিশ্ব রাজনীতিতে প্রধান হয়ে উঠতে চেয়েছিল। 

(vi) সোভিয়েত আগ্রাসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও বিপজ্জনক ছিল। অবিলম্বে রুশ আগ্রাসন প্রতিরোধ করতে না পারলে সমগ্র ইউরোপে রুশ প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরী হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আশঙ্কা করেছিল এর ফলে রাশিয়া সামরিক দিক দিয়ে সমগ্র বিশ্বে সর্বশক্তিমান হয়ে উঠবে - যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার পক্ষে ছিল বিপজ্জনক। এই পরিস্থিতিতে মার্শাল পরিকল্পনা ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক কৌশল। 

(vii) মার্শাল পরিকল্পনা আদর্শ ও নীতিকে সামনে রেখে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট NATO গড়ে ওঠে। এরপর আরো অন্যান্য সামরিক ও বাণিজ্যিক জোট ও চুক্তি গড়ে ওঠে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল - SEATO , CENTO , ANZUS - ইত্যাদি। 
  
(viii) উক্ত সামরিক ও বাণিজ্যিক জোট ও চুক্তিগুলির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সারা পৃথিবীতে মার্কিন আধিপত্য প্রতিষ্ঠা ও রুশ সম্প্রসারণ রোধ। 

(ix) পশ্চিম ইউরোপ মার্শাল পরিকল্পনা বাস্তবায়নকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ঠান্ডা লড়াইয়ের উত্তেজনা তীব্রভাবে বৃদ্ধি পায়। তবে ব্রিটেন মার্শাল পরিকল্পনাকে কল্যাণকারী ফল প্রদানকারী হিসাবে আখ্যায়িত করেছিল। 

(x) মার্শাল পরিকল্পনা ঠান্ডা লড়াইকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। মার্শাল পরিকল্পনার ফলেই ইউরোপীয় রাজনীতি ও অর্থনীতি পরস্পরবিরোধী সুস্পষ্ট দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে যায় এবং সুদীর্ঘ প্রায় অর্ধ - শতাব্দীকাল যাবৎ এই আদর্শগত দ্বন্দ্ব অব্যাহত থাকে। 

(xi) মার্শাল পরিকল্পনা বাস্তবিক ভাবেই পশ্চিম ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ঘটিয়েছিল। মার্কিন সাহায্যপ্রাপ্ত হয়ে পশ্চিম ইউরোপের বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক মন্দা দূর হয় এবং রাষ্ট্রীয় উৎপাদন অভাবনীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়। সমগ্র ইউরোপের বাণিজ্যিক উৎপাদন ২৫% বৃদ্ধি পায়। 

(xii) মার্শাল পরিকল্পনার অনিবার্য পরিণতি হিসাবে ঠান্ডা লড়াইয়ের উদ্ভব ঘটে। মার্শাল পরিকল্পনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে পারস্পরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছিল। এর প্রত্যুত্তরে রাশিয়াও বিভিন্ন শক্তিজোট গঠন করে ও ইউরোপে সাম্যবাদী আগ্রাসন বহুগুন বৃদ্ধি পায়। এরফলে উভয় শক্তিজোটের মধ্যে পারস্পরিক বিরোধ আরো বৃদ্ধি পায়। 

(xiii) মার্শাল পরিকল্পনা পক্ষান্তরে দ্বি - মেরুকেন্দ্রিক রাজনীতির জন্ম দেয়। ধনতান্ত্রিক ও সাম্যবাদী জোটের বিরোধ এতটাই চরমে ওঠে যে উভয় শক্তি নিজেদের সামরিক শক্তি ও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন বৃদ্বি করে। উভয় শক্তিরই নিজস্ব অনুগত গোষ্ঠী তৈরী হয়। 

(xiv) মার্শাল পরিকল্পনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক কর্মকান্ডকে বহুগুন বৃদ্ধি করে। পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলির অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটলে পণ্যের জন্য তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ফলে মার্কিন বাণিজ্যের যথেষ্ট প্রসার ঘটে। 

(xv) মার্শাল পরিকল্পনা সমগ্র বিশ্বে শক্তির ভারসাম্য রক্ষা করে। বিশ্বের প্রায় সবগুলি শক্তি মার্কিন জোট ও সোভিয়েত জোটের অঙ্গীভূত হওয়ার ফলে বিশ্বের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে শক্তিসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। দুটি শিবিরই চরম শক্তির অধিকারী হয়ে ওঠে। ফলে সুয়েজ সংকট , কিউবা সংকট - ইত্যাদি কয়েকটি ক্ষুদ্র ঘটনা ছাড়া দুটি পরস্পর বিরোধী শিবির কখনই নিজেদের সর্বশক্তি নিয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েনি। 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

সিদ্ধান্তগ্রহণ :- 
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধত্তোর আন্তর্জাতিক রাজনীতির ক্ষেত্রে মার্শাল পরিকল্পনা ছিল অন্যতম একটি প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান। এর সাহায্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব রাজনীতিতে নিজ প্রভাব বৃদ্ধি করতে চেয়েছিল। মার্শাল পরিকল্পনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বিশেষ কয়েকটি ক্ষেত্রে লাভদায়ক হয়েছিল। যেমন - 
প্রথমতঃ পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলিতে সোভিয়েত আগ্রাসন প্রতিহত করতে পেরেছিল। 
দ্বিতীয়তঃ পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিতে সাম্যবাদের প্রসার প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। 
তৃতীয়তঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাশ্চাত্যের প্রায় সকল বৃহৎ শক্তিগুলিকে নিজ অনুকূলে জোটবদ্ধ করতে পেরেছিল। 
চতুর্থতঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলিতে নিজ বাণিজ্যিক কর্মকান্ড বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছিল। 
পঞ্চমতঃ পশ্চিম ইউরোপের দেশুগুলি মার্কিন আর্থিক সহায়তা লাভ করে নিজেদের আর্থিক মন্দা কাটিয়ে উঠতে পেরেছিল। 
ষষ্ঠতঃ মার্শাল পরিকল্পনার ফলেই বিশ্বের বৃহৎ শক্তিবর্গ স্পষ্ট দুটি শক্তিশিবিরে বিভক্ত হয়ে গিয়ে স্পষ্টভাবে দ্বিমেরুকরণ রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে। 

উপসংহার :- 
১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে গৃহীত মার্শাল পরিকল্পনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও বিশেষকরে পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারকারী অন্যতম উপাদান হিসাবে বিবেচিত হয়। একদিকে সোভিয়েত সাম্যবাদের প্রসার রোধ ও অন্যদিকে বিশ্ব রাজনীতিতে নিজ প্রভাব বৃদ্ধি - মূলতঃ এই দুই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে মার্শাল পরিকল্পনা গৃহীত হয় যা পরবর্তী প্রায় অর্ধশতাব্দী কাল যাবৎ বিশ্ব রাজনীতিতে উত্তেজনা বজায় রাখে। 

পাঠের সীমাবদ্ধতা :- 
প্রতিবেদনটি রূপায়নকালে এবং রূপায়িত হওয়ার পর যেসকল ত্রুটি - বিচ্যুতি ও সীমাবদ্ধতা দৃষ্টিগোচর হয় - সেগুলি নিম্নরূপ - 
(ক ) প্রকল্প রচনার সংক্ষিপ্ত পরিসরে মার্শাল পরিকল্পনার মত একটি তাৎপর্যপূর্ণ একটি বিষয় সম্পর্কে সমস্ত দিকগুলির আলোচনা বিস্তারিতভাবে করে ওঠা সম্ভব হয়নি। 
(খ ) প্রতিবেদনটিতে শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র , পূর্ব ও পশ্চিম ইউরোপীয় দেশসমূহ ও সোভিয়েত রাশিয়ার পারস্পরিক সম্পর্ক কীভাবে মার্শাল পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছিল - সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলি মার্শাল পরিকল্পনা দ্বারা কীভাবে এবং কতটা প্রভাবিত হয়েছিল - সে বিষয়ে আলোচনা অনুপস্থিত। 
(গ ) মার্শাল পরিকল্পনার পরবর্তীকালে গড়ে ওঠা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শক্তিজোটগুলি সম্পর্কে এবং তাদের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা অনুপস্থিত। 
(ঘ ) প্রকল্পটিতে সোভিয়েত সাম্যবাদের আগ্রাসনের উল্লেখ থাকলেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের আগ্রাসন সম্পর্কে আলোচনা অতি সংক্ষিপ্ত আকারে করা হয়েছে। 
(ঙ ) সর্বোপরি মার্শাল পরিকল্পনা ও তার প্রভাব সম্পর্কে ঐতিহাসিকদের মতামত প্রকল্পটিতে অনুপস্থিত। 

গ্রন্থপঞ্জি :- 
বিভিন্ন পাঠ্যপুস্তক ও সহায়ক গ্রন্থ থেকে প্রকল্পের জন্য তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এইসকল গ্রন্থগুলি হল - 
১. ভারত ও বিশ্বের ইতিহাস ( দ্বাদশ ) - জীবন মুখোপাধ্যায় ও ডক্টর সুভাষ বিশ্বাস। 
২. আন্তর্জাতিক সম্পর্ক : তত্ত্ব এবং সমসাময়িক বিশ্ব - প্রণব কুমার দালাল। 
৩. আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাস - প্রণব কুমার চট্টোপাধ্যায়। 
৪. আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস - অতুল চন্দ্র রায়। 
৫. Helps to the study of WBCS History optional - Oriental Publication. 

XI - XII Online MCQ : CLICK HERE

LIST OF ALL PROJECTS.

সমস্ত প্রকল্পের তালিকা পেতে এখানে CLICK করো।

Test Papers এর উত্তর পেতে এখানে CLICK করো। 

অধ্যায়ভিত্তিক MCQ ও SAQ - CLICK HERE                     

   
Share
Tweet
Pin
Share
No comments
Newer Posts
Older Posts

Contact Form

Name

Email *

Message *

About me

Hellow viewers, myself Nandan Dutta reside at Maheshpur ,Malda, West Bengal, India.

My intent to make the website is to share my view and knowledge to the HS students. They can easily find projects, HS suggestion and many more here.


Categories

  • Career (3)
  • CLASS 11 (XI) (1)
  • Class XI 1st Semester (7)
  • CLASS XI 2nd Semester (16)
  • H.S. 3rd SEM (9)
  • H.S. 4th SEM (10)
  • H.S. EDUCATION (5)
  • H.S. HISTORY (1)
  • HS SOCIOLOGY (2)
  • HS SUGGESTION (1)
  • INDIAN HISTORY (44)
  • NCERT (1)
  • POLITY (62)
  • PROJECT (98)
  • Sociological Studies (79)
  • Teaching & Education (128)
  • TEST PAPERS SOLVE (11)
  • TEST PAPERS SOLVE 2020 (7)
  • WORLD HISTORY (53)
  • XI EDUCATION (7)
  • XI HISTORY (3)
  • XI POL SC (1)
  • XI SOCIOLOGY (1)
  • XII Bengali (1)
  • XII Sanskrit (1)

recent posts

Sponsor

Facebook

Blog Archive

  • June 2026 (3)
  • December 2025 (5)
  • November 2025 (7)
  • October 2025 (2)
  • September 2025 (1)
  • August 2025 (10)
  • July 2025 (14)
  • June 2025 (4)
  • May 2025 (23)
  • April 2025 (75)
  • March 2025 (32)
  • December 2024 (5)
  • November 2024 (70)
  • October 2024 (1)
  • September 2024 (1)
  • July 2024 (5)
  • June 2024 (3)
  • April 2024 (2)
  • March 2024 (3)
  • February 2024 (11)
  • January 2024 (1)
  • November 2023 (4)
  • October 2023 (8)
  • September 2023 (10)
  • April 2023 (9)
  • March 2023 (18)
  • February 2023 (2)
  • January 2023 (1)
  • December 2022 (3)
  • November 2022 (3)
  • October 2022 (4)
  • September 2022 (16)
  • August 2022 (3)
  • July 2022 (5)
  • June 2022 (5)
  • April 2022 (23)
  • March 2022 (10)
  • February 2022 (18)
  • January 2022 (30)
  • December 2021 (8)
  • November 2021 (12)
  • October 2021 (2)
  • September 2021 (5)
  • August 2021 (2)
  • July 2021 (2)
  • June 2021 (5)
  • May 2021 (1)
  • April 2021 (2)
  • November 2020 (1)
  • October 2020 (1)
  • August 2020 (2)
  • June 2020 (3)
  • May 2020 (1)
  • October 2019 (3)
  • September 2019 (5)
  • August 2019 (3)
  • June 2019 (3)
  • May 2019 (3)
  • April 2019 (1)
  • March 2019 (2)
  • February 2019 (3)
  • December 2018 (1)
  • November 2018 (3)
  • October 2018 (4)
  • August 2018 (1)

Total Pageviews

Report Abuse

About Me

subhankar dutta
View my complete profile

Sponsor

Pages

  • Home
  • Project
  • জাতীয় শিক্ষানীতি 1986 SAQ
  • EDU FINAL A 2020
  • Class XI ( Class 11 ) Sociology chapter wise MCQ &...
  • Class 12 (H.S.) History Chapter Wise MCQ & SAQ
  • Class 11 (XI) Sociology 1st chapter MCQ & SAQ
  • H.S. Sociology notes .
  • H.S. Sociology 1st chapter MCQ & SAQ ( only reduce...
  • H.S. Education 10th chapter SAQ & MCQ
  • H.S. Education 10th chapter MCQ & SAQ
  • CLASS 12 SOCIOLOGY 4TH CHAPTER SAQ WITH ANSWER

Pages

  • About Me
  • Contact
  • Privacy Policy
  • Disclaimer

Created with by ThemeXpose | Distributed by Blogger Templates